সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে ক্রমবর্ধমান করোনা পরিসংখ্যানের মধ্যে সামান্য স্বস্তি। রবিবার কিছুটা কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। নামমাত্র কমেছে দৈনিক মৃতের সংখ্যাও। তবে, অ্যাকটিভ কেস নিয়ে চিন্তা আগের মতোই অব্যাহত। রাজধানী দিল্লির পরিসংখ্যান এখনও আগের মতোই উদ্বেগজনক।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩২৪ জন। যা আগের দিনের থেকে ৯ শতাংশ কম। এর মধ্যে দিল্লিতেই ১ হাজার ৫১২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে দেশে অ্যাকটিভ কেস ১৯ হাজার ৯২ জন। যা গতকালের থেকে অনেকটাই বেশি। গোটা দেশে অ্যাকটিভ কেসের হার আপাতত ০.০৪ শতাংশ।
[আরও পড়ুন: বিদ্রোহে ইতি! পাট শিল্প নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ‘খুশি’ অর্জুন সিং]
রিপোর্ট বলছে, একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪০ জন। যা আগের দিনের থেকে সামান্য হলেও কম। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৩ হাজার ৮৪৩ জন। দিল্লির করোনা গ্রাফ চিন্তায় রাখলেও দেশে সুস্থতার হার স্বস্তিজনক। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৪ কোটি ২৫ লক্ষ ৩৬ হাজার ২৫৩ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৮৭৬ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৭৪ শতাংশ।
[আরও পড়ুন: বিচারব্যবস্থার উপর বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ! প্রধান বিচারপতির সুরেই সরব মমতা]
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য জানাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত দেশে ১৮৯ কোটি ১৭ লক্ষের বেশি ডোজ করোনার টিকা (Corona Vaccine) দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল ভ্যাকসিন পেয়েছেন ২৫ লক্ষের বেশি। কেন্দ্র জানাচ্ছে এখনও পর্যন্ত মাত্র ৭৮ হাজার ৫৬৫ জনের শরীরে দেওয়া হয়েছে করোনার প্রিকশন ডোজ। ভারতের মতো বিরাট জনসংখ্যার দেশে এই সংখ্যাটা কিছুটা হলেও হতাশাজনক। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আশঙ্কা, করোনার প্রকোপ কমায় প্রিকশন ডোজে উৎসাহ হারাচ্ছে দেশবাসী।
সর্বশেষ খবর
-
লালবাজারে ঘোড়ারাও এখন ‘ফিটনেস ফ্রিক’, এবার মেনুতে ওটস!
-
‘সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ’, ‘৯৮ শতাংশ’-এর দাবি উড়িয়ে বিধানসভা অভিযানে ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়ারা
-
‘অভিনেতা হিসেবেই অনন্তকাল থেকে যেতে চাই’, অনন্ত সিংহর বায়োপিক নিয়ে আড্ডায় জিৎ
-
প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাট করলেও সংশয় কাটল না, শ্রীলঙ্কায় প্রথম টেস্টে খেলবেন গিল? মুখ খুললেন কোচ
-
বিএসএফের বৈঠক নিষ্ফলা, এখনও বাংলাদেশে বন্দি ভারতীয় চাষি