BREAKING NEWS

১৬ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  শনিবার ৩০ মে ২০২০ 

Advertisement

‘মন্দার মুখে বিশ্ব অর্থনীতি’, করোনা আবহে রিজার্ভ ব্যাংকের পূর্বাভাস ঘিরে আশঙ্কা

Published by: Paramita Paul |    Posted: April 9, 2020 9:16 pm|    Updated: April 9, 2020 9:20 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার জেরে ভয়াবহ আর্থিক মন্দার মুখে পড়তে চলেছে গোটা বিশ্ব। সেই বিপদের হাত থেকে ভারতও রক্ষা পাবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার তাঁদের মনিটারি পলিসি রিপোর্টেও এমনটা জানিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তাঁদের কথায়, ভারতের অর্থনৈতিক বিকাশের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে এই মহামারি। তবে এদিনও দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিশ্বজুড়ে থাবা বসিয়েছে করোনা। সংক্রমণ রুখতে কোথাও লকডাউন তো কোথাও আবার শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে একদিকে যেমন উৎপাদন লাটে উঠেছে, তেমনই আবার বন্ধ আমদানি-রপ্তানিও। চাহিদাও তলানিতে ঠেকেছে। আর তাই বিশ্বে জ্বালানি তেল জলের দরে বিক্রি হলেও ক্রেতা নেই। দাম কমার কোনও সুবিধা ভারতও পাবে না বলে জানিয়েছেন রিজার্ভ ব্যাংক। প্রসঙ্গত, গত মাসেও রিজার্ভ ব্যাংক বলেছিল, “পরিস্থিতি খুবই অস্থিতিশীল। এই অবস্থায় জিডিপি-র বিকাশ নিয়ে কোনও ভবিষ্যবাণী করা সম্ভব নয়।” এদিনও একই কথা বলল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তাঁদের কথায়, “কোভিড-১৯ (COVID-19) কত দ্রুত ছড়াচ্ছে, তার দিকে লক্ষ্য রাখছি। কতদিন তার প্রভাব থাকবে সেটাও দেখছি।” তবে অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশঙ্কা, মন্দার মুখে পড়তে চলেছে গোটা বিশ্ব।

[আরও পড়ুন : বিদেশির মতো দেখতে, করোনা ছড়াতে পারেন! আতঙ্কে দুই মণিপুরী পড়ুয়াকে হেনস্তা]

রিজার্ভ ব্যাংকের মতে, মহামারি সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার বিকাশে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, “কোভিড-১৯ (COVID-19) মহামারি ছড়ানোর আগে মনে হচ্ছিল ২০২০-২১ সালে আর্থিক বৃদ্ধি হবে সন্তোষজনক। কিন্তু করোনা সংক্রমণের ফলে সব বদলে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক অর্থনীতি সম্ভবত আর কিছুদিনের মধ্যে মন্দার যুগে প্রবেশ করতে চলেছে।”

[আরও পড়ুন : সবুজ সংকেত DRDO’র, এবার রেল ওয়ার্কশপেই তৈরি হচ্ছে PPE]

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের শেষ ত্রৈমাসিকে ভারতের অর্থনীতির বিকাশ হয়েছে ধীর গতিতে। গত ছ’বছরের কখনও এত ধীর গতিতে বিকাশ হয়নি। মনে করা হচ্ছিল, এইভাবে চললে এক বছরে বিকাশের হার দাঁড়াবে পাঁচ শতাংশ। যা এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম।কিন্তু করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে ওঠার পর পরিস্থিতি কীভাবে, তা নিয়ে বশ চিন্তায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্তারা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement