Advertisement
Advertisement
মোদির রাজ্য

বাসস্ট্যান্ডে গড়াগড়ি খাচ্ছে করোনা আক্রান্তের দেহ, ভয়াবহ দৃশ্য গুজরাটের আহমেদাবাদে

চূড়াম্ত গাফিলতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

COVID-19 Patient’s Body Found at Ahmedabad Bus Stand

ছবি : প্রতীকী

Published by: Subhamay Mandal
  • Posted:May 18, 2020 8:58 am
  • Updated:May 18, 2020 8:58 am

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাস ডেস্ক: ভয়াবহ ঘটনা মোদির রাজ্য গুজরাটে। বাসস্ট্যান্ডে গড়াগড়ি খাচ্ছে করোনা পজিটিভ ব্যক্তির মৃতদেহ। যার জেরে হাসপাতালের চূড়ান্ত গাফিলতির নিদর্শন ফুটে উঠল। আহমেদাবাদের ঘটনা জানাজানি হতেই নড়েচড়ে বসেছে গুজরাট সরকার। তড়িঘড়ি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি। কিন্তু কীভাবে একটা মৃতদেহ হাসপাতালের বাইরে পড়ে রইল তা নিয়ে সদুত্তর নেই প্রশাসনের কাছে।

জানা গিয়েছে, ৬৭ বছরের ওই ব্যক্তি আহমেদাবাদের সিভিল হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন গত ১০ মে। দুদিন বাদে তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ওই ব্যক্তির ছেলে জানিয়েছেন, ‘১৫ মে আমাকে পুলিশ ফোন করে জানায় যে আমার বাবার মৃতদেহ দানিলিমদা ক্রসিংয়ের কাছে একটি বাসস্ট্যান্ডে পাওয়া গিয়েছে।’ হাসপাতালের ওএসডি ডা. এমএম প্রভাকর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘রোগীর মৃদু উপসর্গ ছিল। নয়া গাইডলাইন অনুযায়ী তিনি বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। গত ১৪ মে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। তখন তিনি সুস্থই ছিলেন।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘হাসপাতালের একটি বাসে তাঁকে বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। তাঁর বাড়ির কাছে রাস্তায় যানজটের কারণে তাঁকে কাছাকাছি একটি বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দেওয়া হয়।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: সংক্রমণের ভয়, মহারাষ্ট্রের জেল থেকে জামিন দেওয়া হল ৭,২০০ জন বন্দিকে]

কিন্তু ওই ব্যক্তির পরিবারকে না জানিয়েই তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ওই বাসস্ট্যান্ডেই রোগীর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। দুর্ভোগের আরও নিদর্শন হল, মৃতের পরিজনদেরই দেহ হস্তান্তর করা হয়। করোনা আক্রান্ত রোগীর দেহ যেখানে গাইডলাইন মেনে সৎকার করার কথা। কিন্তু এখানে পরিজনদেরই দেহ প্লাস্টিকে মুড়ে সৎকার করতে বলা হয়। এই ঘটনার কথা টুইট করে গুজরাট সরকারকে তুলোধোনা করেছেন বিধায়ক জিগনেশ মেওয়ানি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর অপসারণের দাবি তুলেছেন। এদিকে, বিষয়টি জানাজানি হতেই নড়েচড়ে বসেছে গুজরাট সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাক্তন অতিরিক্ত মুখ্য স্বাস্থ্যসচিব এই ঘটনার তদন্ত করছেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে তদন্ত রিপোর্ট জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বাড়ি ফিরতে চাই’, উত্তরপ্রদেশের জাতীয় সড়ক আটকে বিক্ষোভে পরিযায়ী শ্রমিকরা]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ