Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
ইয়েচুরি

দলীয় নিয়মশৃঙ্খলার গেরো, রাজ্যসভায় হ্যাটট্রিক হচ্ছে না সীতারাম ইয়েচুরির

দু'বারের বেশি কেউ রাজ্যসভায় যান না, এই যুক্তিকে ইয়েচুরিকে সমর্থন নয় কেরল লবির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২০, ১৪:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২০, ১৪:৩৪

options
link
দলীয় নিয়মশৃঙ্খলার গেরো, রাজ্যসভায় হ্যাটট্রিক হচ্ছে না সীতারাম ইয়েচুরির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হ্যাটট্রিক হল না। দলীয় অনুশাসনে তৃতীয়বার রাজ্যসভায় যাওয়ার রাস্তা আটকে গেল সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির। কংগ্রেসের সমর্থনে এবার তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার প্রার্থী করতে নারাজ দল। ফলে বাংলা থেকে পঞ্চম আসনটিতে কে প্রার্থী হবেন, তা নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হল।

বরাবরই দলের লিখিত নিয়মকানুন মেনে চলতে হয় সিপিএম-এর পার্টি সদস্যদের। যিনি যে পদেই থাকুন না কেন, পার্টিলাইন মেনে না চললে বহিষ্কারের খাঁড়া। তো সেই শৃঙ্খলা মানতে গিয়েই কংগ্রেসের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও সীতারাম ইয়েচুরিকে তৃতীয়বার রাজ্যসভায় পাঠাতে অপারগ সিপিএম। সূত্রের খবর, পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব জানিয়েছে যে অতীতে দু’বারের বেশি দলের কাউকেই রাজ্যসভায় পাঠানো হয়নি। ইয়েচুরির ক্ষেত্রেও তাই তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তাছাড়া দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এমনিতেই তাঁর দায়িত্ব বেশি। তাই আপাতত সে কাজেই তিনি ব্যস্ত থাকবেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী হংসরাজ ভরদ্বাজ, টুইটে শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর]

আসলে দলের এই সিদ্ধান্তের পিছনেও সেই চিরাচরিত কেরল লবি-বেঙ্গল লবির সংঘাত। ফেব্রুয়ারির শেষে বাংলা থেকে রাজ্যসভার পঞ্চম আসনের জন্য সীতারাম ইয়েচুরির নাম প্রস্তাব করেছিল রাজ্যের সিপিএম নেতৃত্ব। অধীর চৌধুরি-সোমেন মিত্রও অন্তর্কলহ ভুলে প্রদেশ কংগ্রেস সর্বসম্মতিক্রমে তাতে সিলমোহর দেয়। শেষবার যখন রাজ্যসভার নির্বাচন হয়, তখনও কংগ্রেস সীতারাম ইয়েচুরিকে প্রার্থী করার পক্ষে ছিল। কিন্তু সিপিএমের অন্দরের নিয়মের বেড়াজালে তা হয়ে ওঠেনি। সেবার প্রার্থী হন কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিংভি। এবারও কংগ্রেস ইয়েচুরির পক্ষে।

[আরও পড়ুন: নোট থেকেও করোনার আশঙ্কা! অর্থমন্ত্রীকে খতিয়ে দেখতে আবেদন ব্যবসায়ীদের]

কিন্তু দলের নেতার প্রতি সমর্থন নেই কেরল লবিরই। আর এখনও সেই শিবিরের জোর বেশি সর্বভারতীয় স্তরে। ফলে কেরল লবির বিরোধিতায় হ্যাটট্রিকের পথে আর হাঁটা হচ্ছে না দলের সাধারণ সম্পাদকের। এর আরও একটি কারণ হিসেবে উঠে এই তত্ত্বও যে দল চায় না অন্য কারও সমর্থন নিয়ে রাজ্যসভার আসন জিততে। তাই কংগ্রেস হাত বাড়িয়ে দিলেও, তা অন্তত রাজ্যসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে ধরতে চাইছে না পলিটবুরো। যদিও বিশেষজ্ঞ মহলের মত, ইয়েচুরিতে সিলমোহর দিলে অনেকটাই সুবিধা লাভ করতে পারত সিপিএমন-কংগ্রেস উভয়েই। বরং এখন নতুন প্রার্থী নিয়ে ভাবতে হবে হাত, হাতুড়ি – উভয় শিবিরকেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.