২৮ কার্তিক  ১৪২৬  শুক্রবার ১৫ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় আছে, ‘জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ৷’ তবে এক্ষেত্রে সেকথা খাটল না৷ বরং বাস্তবে দাঁড়াল ‘ঘরে জল আর চালে কুমির৷’ বন্যায় ভাসছে গোটা কর্ণাটক৷ প্লাবিত এলাকায় প্রাণে বাঁচতে শেষে গৃহস্থের চালে আশ্রয় নিল বিশালাকার সরীসৃপ৷ হিংস্র প্রাণীকে দেখে আতঙ্কে কাঁটা গৃহকর্তা৷

[আরও পড়ুন: ‘কাশ্মীরে মুসলিম বেশি বলেই ৩৭০ ধারার বিলুপ্তিকরণ’, বিতর্কিত মন্তব্য চিদম্বরমের]

দিনকয়েকের বৃষ্টিতে জলে ভাসছে কর্ণাটক৷ প্রায় বেশিরভাগ জায়গা চলে গিয়েছে জলের তলায়৷ ক্রমশই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা৷ এখনও পর্যন্ত অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আরও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে৷ তাই ইতিমধ্যেই ইদুক্কি, মালাপ্পুরম ও কোঝিকোড়েতে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। এই বন্যার মাঝে মানুষের পাশাপাশি বন্যপশুদেরও বেশ অসহায় অবস্থা। কুমিরের মতো জলজ হিংস্র সরীসৃপ জলের স্রোতে ঢুকে পড়ছে শহরে। প্লাবিত রায়বাগ তালুকের বেলগামে এক্কেবারে গৃহস্থের বাড়ির চালে উঠে পড়ল বিশালাকার একটি কুমির৷ বন্যার জলে ডুবে থাকা একটি বাড়িতে বেশ আরামে বসে থাকতে দেখা গেল তাকে৷ হিংস্র প্রাণীটিকে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা৷ অনেকেই আবার ইট-ঢিল ছুঁড়ে বিরক্তও করে তাকে। এলাকাবাসীই খবর দেয় বনদপ্তরে৷ কুমিরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান বনকর্মীরা৷

[আরও পড়ুন: বন্যার জলে ভাসছে হেরিটেজ সাইট হাম্পি, মনখারাপ স্থাপত্যপ্রেমীদের]

দিনকয়েক আগে গুজরাটের ভদোদরায় প্লাবিত লোকালয়ে রাস্তায় ভেসে বেড়াতে দেখা গিয়েছে একটি কুমিরকে৷  একটি সারমেয়কে নিজের খাবারে পরিণত করার চেষ্টা করছিল ওই হিংস্র সরীসৃপ৷ তবে কোনওক্রমে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসে সারমেয়টি৷ পরে ওই কুমিরটিকে উদ্ধার করেন বনদপ্তরের কর্মীরা৷ একে তো বন্যা তার উপর আবার বন্যপ্রাণীদের আনাগোনা প্লাবিতদের আতঙ্ক বাড়াচ্ছে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং