Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CRPF

মাস্ক না পরে রাস্তায় ঘোরার অভিযোগ, থানায় চেনবন্দি CRPF কমান্ডো

সিআরপিএফের তরফে চিঠি পাঠিয়ে কর্ণাটকের ডিজিপির কাছে এর কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২০, ১৯:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২০, ১৯:০৯

options
link
মাস্ক না পরে রাস্তায় ঘোরার অভিযোগ, থানায় চেনবন্দি CRPF কমান্ডো zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাস্ক না পড়ে রাস্তায় ঘুরছিলেন বলে অভিযোগ। এর জেরে কর্ণাটকে সিআরপিএফ (CRPF) -এর কোবরা ব্যাটেলিয়নের এক কমান্ডোকে থানায় চেন বেঁধে রাখা হল। এই ঘটনার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই প্রবল বিতর্ক শুরু হয়েছে। সিআরপিএফের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল চিঠি পাঠিয়ে কর্ণাটক পুলিশের ডিজিপি প্রভীন সুদের কাছে এর কারণ জানতে চেয়েছেন। এমনকী এই ঘটনার জন্য অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে তারা এফআইএর করারও চিন্তাভাবনা করছেন বলে সূত্রের খবর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিআরপিএফের কোবরা ব্যাটেলিয়নের ওই জওয়ানের নাম সচিন সাওয়ান্ত। কর্ণাটকের বেলাগাভি শহরের ওই যুবক ছুটির জন্য নিজের বাড়িতে ছিলেন। গত ২৩ এপ্রিল মাস্ক না পরে রাস্তার ঘোরার সময় কর্তব্যরত দুই পুলিশ কনেস্টবল তাঁকে আটক করেন। তিনি মাস্ক না পরে রাস্তায় কেন ঘুরছেন তা জিজ্ঞাসা করেন। এর উত্তরে ওই পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে বচসা শুরু হয় তাঁর। সেসময় সচিন অকথ্য ভাষায় তাঁদের গালাগালি করে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘আমি একজন সিআরপিএফ জওয়ান। আপনারা আমাকে কোনও নির্দেশ দিতে পারেন না। আমি আপনাদের নির্দেশ কখনই মানব না।’ এরপর তিনি ওই পুলিশ কর্মীদের লাথি মারেন বলেও অভিযোগ। বাধ্য হয়ে সচিন সাওয়ান্ত গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলা হয়। বিচারক তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দুই চিনা সংস্থার টেস্ট কিট ‘কাজের অযোগ্য’, বরাত বাতিল করল কেন্দ্র ]

কিন্তু, এরপরই সিআরপিএফের তরফে চিঠি দেওয়া কর্ণাটকের ডিজিপিকে। তাতে উল্লেখ করা হয়, ওই সিআরপিএফ কমান্ডোর সঙ্গে অত্যন্ত বাজে ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁকে পুলিশ স্টেশনে খালি পায়ে অমানবিকভাবে চেন দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। ওই জওয়ান যদি কোনও অন্যায় করে থাকেন তাহলে তাঁকে গ্রেপ্তার করার আগে সিআরপিএফ কর্তৃপক্ষ জানানো উচিত ছিল। তাহলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হোত না।

পুলিশের তরফে মাস্ক না পরে ঘোরার অভিযোগ জানানো হলেও অন্য কথা বলছেন ওই জওয়ানের ঘনিষ্ঠরা। তাঁদের দাবি, সচিন নিজের বাড়ির সামনে বাইক পরিষ্কার করছিলেন। সেসময় আচমকা সেখানে উপস্থিত হয়ে গন্ডগোল শুরু করেন পুলিশকর্মীরা। তাঁকে মারধর করার সঙ্গে সঙ্গে খালি পায়ে থানায় নিয়ে গিয়ে চেন দিয়ে বেঁধে রাখে। এই ঘটনায় সমস্ত সিআরপিএফ জওয়ানকে অপমান করা হয়েছে। মঙ্গলবার আদালতে এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে দোষী পুলিশ কর্মীদের শাস্তির দাবি জানানো হবে।

[আরও পড়ুন: খিদে মেটানোয় সুরাহা নেই, ওয়েব পোর্টাল তৈরি করে পরিযায়ী শ্রমিকদের সাহায্যের আশ্বাস যোগীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.