সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিজাপুরে মাওবাদীদের (Maoist) সঙ্গে সংঘর্ষের পর থেকে এক সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ান নিখোঁজ। শনিবার থেকে তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে। কিন্তু খোঁজ মিলছিল না। সোমবার হঠাৎই এক উড়ো ফোনে দাবি করা হয় মাওবাদীদের হেফাজতে রয়েছেন ওই জওয়ান।
বিজাপুরের এক স্থানীয় সংবাদিকের কাছে সোমবার ফোনটি আসে। অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, “আমি হিদমা বলছি।” এই হিদমা মাওবাদী শীর্ষ নেত্রী। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয় ২২ জওয়ানের। নিখোঁজ হন জম্মুর বাসিন্দা রাকেশ্বর সিং মানহস। হিদমার নাম করে আসা ফোনে বলা হয় ওই জওয়ান তাঁদের হেফাজতে আছেন, ঠিকই আছেন। রাকেশ্বর মাওবাদীদের হেফাজতে আছে এটা বলা হলেও কোনও মুক্তি পণ বা অন্য কিছু দাবি করা হয়নি।
ফোনটি সত্যিই হিদমা করেছিলেন কিনা বা কোথা থেকে ফোনটি এসেছিল, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকী নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে এই ‘পণবন্দি’ নিয়ে সমস্যা আরও জটিল হতে পারে বলে ধারণা।
[আরও পড়ুন: বিজাপুরে জওয়ানদের ফাঁদে ফেলার মাস্টারমাইন্ড হিদমা! কীভাবে উত্থান এই মাও নেতার?]
এদিকে সিআরপিএফের আধিকারিকরা রাকেশ্বরের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন। যে কোনও মূল্যে রাকেশ্বরকে ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেই সঙ্গে রাকেশ্বরের স্ত্রী মীনুর তরফে একটি ভিডিও বার্তা দেন। তাতে আবেদন করেন যাতে মাওবাদীরা তাঁর স্বামীর কোনও ক্ষতি না করে ফিরিয়ে দেয়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে জওয়ানের স্ত্রী মীনু অবেদন করেন তাঁর স্বামীকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে আনার যেন ব্যবস্থা করা হয়। এদিকে অমিত শাহ রায়পুরে গিয়ে মৃত জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে বলেছেন, মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চলবে।
[আরও পড়ুন: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আপত্তিকর পোস্ট, অভিযোগ পেয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন]
সর্বশেষ খবর
-
৪০ বছরেই গলে জল! নেপাল বিপর্যয়ের মাঝে বিশ্বের বৃহত্তম হিমবাহকে ঘিরে শঙ্কার কালো মেঘ
-
‘দালানবাড়ির ১৬ লক্ষ কোথায় গেল?’ ‘বিগ বস’এর প্রিমিয়ারের পরই দুর্নিবারকে ‘টিপ্পনি’ সৌম্যর!
-
হামের ছোবলে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু! বাংলাদেশে মৃত্যুমিছিল ঘিরে বাড়ছে আতঙ্ক
-
‘বলতেন সব জানি’! ‘অবহেলিত’ সমবায় চাঙ্গা করার বার্তা দিয়ে মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর
-
ঋগ্বেদ থেকে মিশরীয় জনবিশ্বাসে সোনালি তরল, দেবভোগ্য মধুর কথা