Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ওড়িশা-অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল তিতলি, বাংলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

নবান্নে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২২, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২২, ১৬:১৫

options
link
ওড়িশা-অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল তিতলি, বাংলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় তিতলি। বৃহস্পতিবার সকালে প্রায় ১২৬ কিলোমিটার বেগে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ে দুই রাজ্যের উপকূল অঞ্চলে। বহু জায়গায় উপড়ে গিয়েছে গাছ। বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সমুদ্রও বেশ উত্তাল।

প্রবল ঝড়ে বিধ্বস্ত ওড়িশার গোপালপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩ লক্ষ মানুষকে সুরক্ষিত জায়গায় সরিয়ে আনা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে ওড়িশায় বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বন্ধ থাকবে স্কুল। বিচ্ছিন্ন গোপালপুর-বরহামপুর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে খুরদা রোড ও বিজয়নগরের মধ্যে বন্ধ ট্রেন চলাচল। ওভারহেডের তার ছিঁড়ে পড়াতেই এই বিপত্তি। খড়গপুড়ে দাঁড়িয়ে ফলকনুমা এক্সপ্রেস। বাতিল করা হয়েছে ভূবনেশ্বর-বেঙ্গালুরু প্রশান্তি এক্সপ্রেস, বিশাখাপত্তনম-রাইপুর প্যাসেঞ্জার। এছাড়াও একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে খবর। খারাপ আবহাওয়ার জেরে বাতিল হয়েছে বিমানও।

Advertisement

জগন্নাথ মন্দিরে ঢুকতে পারবে না সশস্ত্র পুলিশ, রায় সুপ্রিম কোর্টের ]

ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলে বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়লেও দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য তৈরি এ রাজ্য সরকারও। নবান্নে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রতিটি জেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হবে। উপকূল অঞ্চলে চলছে অতিরিক্ত নজরদারি। মৎসজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এরাজ্যে দু’দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টিপাত। জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়েছে দিঘা, মন্দারমণি সহ উপকূলের বিভিন্ন অঞ্চলে। আবহাওয়াবিদদের অনুমান, কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে শনিবার ১৩ তারিখ পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে।

বাংলার ওড়িশার সীমান্তে পৌঁছে তিতলির ছটফটানি শেষ হয়ে যাবে। তবে তার সামগ্রিক প্রভাব কাটিয়ে আকাশে শরতের নীলিমা ফিরতে ফিরতে সেই সোমবার। অর্থাৎ ষষ্ঠী। স্বস্তি বলতে হাওয়া অফিসের বার্তা- মূল পুজোর চারদিন, মানে সপ্তমী থেকে দশমী আকাশ ঝলমলে থাকবে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের উপ-মহানির্দেশক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “তিতলির প্রভাব থাকবে শনিবার পর্যন্ত। তবে পরিমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের আধিক্য থেকে যাওয়ায় রবিবারও কোথাও কোথাও স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার হয়ে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। যদিও সোমবার থেকেই আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

দোভালের হাতেই জাতীয় নিরাপত্তার রাশ, অসীম ক্ষমতা পেতে চলেছেন ‘জেমস বন্ড’ ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.