Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
দিল্লি আগুন

দিল্লির আনাজ মান্ডির ছ’তলা বিল্ডিংয়ে ভয়াবহ আগুন, লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

দমকলের ২৭টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৯, ১২:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৯, ১২:০৫

options
link
দিল্লির আনাজ মান্ডির ছ’তলা বিল্ডিংয়ে ভয়াবহ আগুন, লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছুটির দিনে সাত সকালে রাজধানীতে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারালেন অন্তত ৩৫ জন। উত্তর দিল্লির রানি ঝাঁসি রোডের আনাজ মান্ডির একটি বাড়িতে আগুন লেগে যায়। এখনও পর্যন্ত ৫০জনেরও বেশি বাসিন্দাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আহতদের ভরতি করা হয়েছে হাসপাতালে। দমকলের ২৭টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে খবর।

এদিন ভোরবেলায় চারতলার বাড়িটিতে আগুন লাগে। বিল্ডিংটির একটা অংশ কারখানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সেই সময় কারখানার ভিতরই ঘুমাচ্ছিলেন শ্রমিকরা। আচমকা আগুনের স্ফুলিঙ্গে ঘুম ভাঙে তাঁদের। চোখ খুলেই দেখেন ভিতরে আগুন লেগে গিয়েছে। দাউদাউ করে জ্বলছে সেখানে মজুত রাখা জিনিসপত্র। খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। কিন্তু ধোঁয়া আর কুয়াশায় জনবহুল এলাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় দমকলকর্মীদের। পরে আরও ১২টি ইঞ্জিন এসে পৌঁছায় সেখানে। মোট ২৭টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে বলে জানান দমকলের ডেপুটি চিফ সুনীল চৌধুরী। অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৩৫ জনের। বিল্ডিংয়ের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫০জনেরও বেশি বাসিন্দাকে। তাঁদের মধ্যে আহতদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে স্থানীয় হাসপাতালে। বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর। তাঁদের দেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসা হচ্ছে। লোক নায়ক হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেন্ড্যান্ট ডঃ কিশোর কুমার জানান, উদ্ধার হওয়ার বাসিন্দাদের মধ্যে ১৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ভারতকে এখন ধর্ষণের রাজধানী হিসেবেই চেনে গোটা বিশ্ব’, বিতর্কিত মন্তব্য রাহুলের]

তবে ঠিক কীভাবে আগুন লাগল, তা এখন স্পষ্ট নয়। বিল্ডিংয়ে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় আশেপাশের বিল্ডিংয়েও তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। রানি ঝাঁসি রোডে আপাতত যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেন্ট স্টিফেন থেকে ঝান্দেওয়ালান যাওয়ার জন্য খোলা রানি ঝাঁসি ফ্লাইওভার।

[আরও পড়ুন: দু’বছরে খতম ১০৩ অপরাধী, মায়াবতীর কটাক্ষের পালটা উত্তরপ্রদেশ পুলিশের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.