সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আলাদা লড়াই উদ্দেশ্য ছিল না। দিল্লিতে আপের সঙ্গে জোট করেই লড়তে চেয়েছিল কংগ্রেস। বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি করলেন দিল্লি কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা অজয় মাকেন। এই অজয় মাকেন আবার কেজরিওয়ালের প্রবল সমালোচকদের মধ্যে অন্যতম।
মাকেন বলছেন, “আমরা চেয়েছিলাম হরিয়ানা এবং দিল্লিতে বিজেপির সঙ্গে জোট করে লড়াই করতে। কিন্তু জেল থেকে বেরোনর পর কেজরিওয়াল আচমকা ঘোষণা করে দেন আপ একাই লড়বে। হরিয়ানার সব আসনে প্রার্থী দেবে আপ। আর দিল্লিতে তো লোকসভা ভোটের পরই আলাদা লড়ার ঘোষণা করেছিল আপ।” অর্থাৎ মাকেন জোট ভাঙার দায় পুরোপুরি চাপাচ্ছেন কেজরিওয়ালের উপর।
তাঁর বক্তব্য, দিল্লিতে আপ থাকা মানেই বিজেপি শক্তিশালী হওয়া। উদাহরণ হিসাবে তিনি দাবি করেন, দিল্লিতে যে কদিন শীলা দীক্ষিত মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, বিজেপি লোকসভায় কোনও আসন পেত না। আর আপ যেদিন থেকে ক্ষমতায় এসেছে, সেদিন থেকেই দিল্লিতে লোকসভায় সব আসনে জিতছে বিজেপি। অর্থাৎ আপ দিল্লিতে থাকলে সুবিধা বিজেপিরই। কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, বিজেপিকে কেন্দ্রীয় স্তরে রুখতে হলে দিল্লিতে কংগ্রেসকে শক্তিশালী করতেই হবে। আপ থাকলে সুবিধা বিজেপিরই।
দিল্লিতে জোট ভাঙার পর এই অজয় মাকেনই কেজরিওয়ালকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন। এমনকী দেশদ্রোহীও বলে দিয়েছিলেন। অজয়ের দাবি, সেই বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত মতামত ছিল। এখনও তাতে বিশ্বাস করেন তিনি। মাকেনের কথায়, তিনি মনে করেন ২০১৩ সালেও তিনি আপের সঙ্গে জোটের পক্ষে ছিলেন না। ২০২৪ লোকসভাতেও না। কিন্তু দলের তরফে লোকসভার পরও আপের সঙ্গে জোটের রাস্তা খোলা ছিল।
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের