সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জেলমুক্তি দূরঅস্ত! ২০২০ সালের দিল্লি হিংসা মামলায় উমর খালিদ, শারজিল ইমাম এবং আরও সাত অভিযুক্তের জামিন খারিজ করল দিল্লি হাই কোর্ট। বছর পাঁচেক আগে দিল্লিতে হিংসার ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ওঠে উমর খালিদ, শারজিল ইমাম এবং আরও সাত জনের বিরুদ্ধে। ইএউপিএ ধারায় মামলা হয় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।
বিচারপতি নবীন চাওলা এবং শৈলন্দর কাউরের বেঞ্চে মামলা উঠেছিল। জামিনের আবেদন করেছিলেন উমর খালিদ, শারজিল ইমাম, মোহাম্মদ সেলিম খান, শিফা উর রহমান, আতহার খান, মিরান হায়দার, আবদুল খালিদ সাইফি, গুলফিশা ফাতিমা এবং শাদাব আহমেদ। দীর্ঘ শুনানির পর ৯ জুলাই রায় স্থগিত রেখেছিল আদালত। মঙ্গলবার দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, (জামিনের) সমস্ত আবেদন খারিজ করা হল।
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের তীব্র আন্দোলন ও হিংসার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে উমরকে গ্রেপ্তার করে ইউএপিএ ধারায় মামলা করেছিল দিল্লি পুলিশ। তার পর থেকে একাধিকবার জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন জেএনইউ-এর এই প্রাক্তন ছাত্রনেতা। প্রতিবারই তা খারিজ হয়ে যায়। তবে গত বছর ডিসেম্বর মাসে পারিবারিক বিবাহ অনুষ্ঠান উপলক্ষে ৭ দিনের জন্য অন্তর্বর্তি জামিনে জেলমুক্ত হন উমর। বামপন্থী ওই ছাত্রনেতা ১০ দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন পান সেবার।
রাজধানীর মাটিতে সিএএ এবং এনআরসি বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির হিংসায় মৃত্যু হয় ৫৩ জনের। এই ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে উঠে আসে উমরের নাম। উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে দায়ের হয় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা। যদিও উমর খালিদের গ্রেপ্তারির বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠেছিল। অভিযোগ ওঠে, সিএএ-এনআরসি বিরোধী স্বর দমনেই উমরকে জেলবন্দি করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!