Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
গাঁজা সেবনে উপরের সারিতে দিল্লি

গাঁজা সেবনে বিশ্বে তৃতীয় স্থানে দিল্লি! প্রকাশ্যে উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান

গাঁজা সেবনের নিরিখে দিল্লিকে পিছনে ফেলল পাকিস্তানের করাচি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯, ২০:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯, ২০:৪৯

options
link
গাঁজা সেবনে বিশ্বে তৃতীয় স্থানে দিল্লি! প্রকাশ্যে উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দূষণের পর এবার আরও একটি লজ্জাজনক তালিকায় প্রথম সারিতে ঠাঁই পেল রাজধানী দিল্লি। গাঁজা সেবনের নিরিখে বিশ্বে তৃতীয় স্থানে দিল্লি। অর্থাৎ, পরিসংখ্যানই প্রমাণ দিচ্ছে নেশায় বুঁদ রাজধানী। তবে ভারতীয়দের জন্য আনন্দের খবর, এই তালিকায় একা দিল্লি নেই। দিল্লিকেও ছাপিয়ে গিয়েছে পাকিস্তানের শহর করাচি। গাঁজা সেবনের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে করাচি। আর এই তালিকায় শীর্ষস্থানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক।

[আরও পড়ুন: ‘পাকিস্তানে রোজ মরছে হিন্দুরা’, ভারতে পালিয়ে এসে জানালেন ইমরানের দলের প্রাক্তন বিধায়ক]

বলা হয় ‘দিল্লি দিলওয়ালো কা শহর।’ মুশকিল হল এই দিলদারদের শহরের আইনশৃঙ্খলাও বড্ড শৃঙ্খলমুক্ত। প্রায় প্রতিনিয়তই রাজধানী থেকে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির মতো ঘটনার খবর পাওয়া যায়। এর একটা বড় কারণ যে মাদক, তা নিয়ে কোনও সংশয়ই নেই। এবিসিডি নামের একটি সংস্থার করা মাদক সংক্রান্ত রিপোর্টে বলছে, গাঁজা সেবনের নিরিখে বিশ্বের তাবড় তাবড় শহরকে টেক্কা দিয়েছে আমাদের রাজধানী। দিল্লিতে ২০১৮ সালে গাঁজা বিক্রি হয়েছে প্রায় ৩৮.২ মেট্রিক টন, অর্থাৎ ৩৮ হাজার ২৬০ কেজি। করাচি অবশ্য এই নিরিখে দিল্লির থেকে অনেকটাই এগিয়ে।

Advertisement

Ganja-V

করাচিতে গতবছর গাঁজা বিক্রি হয়েছে প্রায় ৪২ মেট্রিক টন, অর্থাৎ প্রায় ৪২ হাজার কেজি। নিউ ইয়র্ক এশিয়ার দুই শহরকে অনেকটাই পিছনে ফেলেছে। নিউ ইয়র্কে গতবছর গাঁজা বিক্রি হয়েছে, ৭৭.৪ মেট্রিক টন। দিল্লি ছাড়াও প্রথম দশে রয়েছে ভারতের আরও এক শহর। মুম্বই রয়েছে তালিকার ষষ্ঠ স্থানে। মুম্বইয়ে গতবছর গাঁজা বিক্রি হয়েছে প্রায় ৩২.৪ মেট্রিক টন।

[আরও পড়ুন: ‘একাদশীতে পরীক্ষা করেই চাঁদে পৌঁছতে পেরেছে নাসা’, দাবি হিন্দুত্ববাদী নেতার]

এবিসিডির এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর বেশ উদ্বেগে সমাজবিজ্ঞানীরা।অনেকে বলছেন, এই রিপোর্টেই প্রমাণিত হচ্ছে, আমাদের যুবসমাজ বিপথে চালিত। যদিও, নেটিজেনরা এই রিপোর্টকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না। বরং, করাচি দিল্লির থেকে মাদক সেবনে এগিয়ে থাকায় রসিকতা করছেন তাঁরা। কেউ কেউ বলছেন, অর্থনীতি বা প্রযুক্তিতে না হোক, কোনও কিছুতে তো ভারতকে হারাল পাকিস্তান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.