Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
কংগ্রেস

ভোটে টিকিট না পেয়ে পার্টি অফিসের ৩০০ চেয়ার ‘চুরি’ করলেন কংগ্রেস বিধায়ক

দল ছেড়েছি তাই নিজের চেয়ার নিয়ে গেছি, সাফাই বিধায়কের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০১৯, ১৭:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০১৯, ১৭:১৩

options
link
ভোটে টিকিট না পেয়ে পার্টি অফিসের ৩০০ চেয়ার ‘চুরি’ করলেন কংগ্রেস বিধায়ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক : লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করার জন্য দলের থেকে টিকিট চেয়েছিলেন। কিন্তু, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব রাজি না হওয়ায়, নিজের অনুগামীদের নিয়ে এসে দলীয় অফিস থেকে ৩০০টি চেয়ার সরিয়ে নিয়ে গেলেন এক বিধায়ক। মহারাষ্ট্রের সিলোদ বিধানসভার ওই বিধায়কের নাম আবদুল সাত্তার। যদিও তাঁর দাবি, তিনি দল ছেড়ে দিচ্ছেন। তাই পার্টি অফিসে থাকা তাঁর চেয়ারগুলো নিয়ে গেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মধ্য মহারাষ্ট্রের শাহগঞ্জে অবস্থিত কংগ্রেসের পার্টি অফিস গান্ধীভবনে দলের স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে শরিক এনসিপির একটি বৈঠক করার কথা ছিল। কিন্তু, তার আগে পার্টি অফিসে নিজের অনুগামীদের নিয়ে এসে ৩০০টি চেয়ার তুলে নিয়ে যান সাত্তার। ফলে বৈঠকটি শেষপর্যন্ত এনসিপি অফিসে করতে হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন- ককপিটে ফেরার অদম্য জেদ, ছুটি শেষের আগেই কাজে যোগ দিলেন অভিনন্দন বর্তমান]

কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জেলার অন্যতম জনপ্রিয় নেতা আবদুল সাত্তার দলের প্রতীক নিয়ে ঔরঙ্গাবাদ লোকসভা আসন থেকে ভোটে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, তাঁর আবেদনে সাড়া না দিয়ে টিকিটটি সুভাষ জামবাদকে দেওয়া হয়। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আবদুল। পরে মঙ্গলবার এনসিপির সঙ্গে স্থানীয় নেতৃত্বের আলোচনা কথা শুনে বৈঠকের আগেই সেখানে উপস্থিত হয়ে চেয়ারগুলো সরিয়ে নিয়ে যান।

[আরও পড়ুন- ‘সফল হলে আজও রাজনীতিতে থাকতাম’, অকপট স্বীকারোক্তি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর]

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ওই চেয়ারগুলো আমার ছিল। কংগ্রেসকে মিটিংয়ের জন্য দিয়েছিলাম। এখন আমি দল ছেড়ে দিচ্ছি বলে চেয়ারগুলো ফেরত নিয়েছি। যারা প্রার্থী হয়েছেন প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তাঁদেরই করতে হবে।”

[আরও পড়ুন- মন্দিরেও নমাজের ভঙ্গিতে বসতে গিয়েছিলেন রাহুল, কটাক্ষ যোগীর]

অন্যদিকে ওই এলাকার কংগ্রেস প্রার্থী সুভাষ জামবাদ বলেন,”সাত্তারের মনে হয় চেয়ারগুলো খুব দরকার ছিল তাই নিয়ে গেছে। তবে আমরা হতাশ নেই। আর সাত্তার এখনও কংগ্রেসে আছেন কারণ তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.