সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার (Coronavirus)সংক্রমণ রোধে একে একে বন্ধ সমস্ত পাবলিক প্লেস, স্কুল-কলেজ, ধর্মীয় স্থানগুলি। তখন সংসদও বন্ধ রাখার প্রয়োজন বলে সোচ্চার হলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। এই মুহুর্তে রাজ্যসভাও এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত নয়। কেন এখনও সংসদ খোলা রেখে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ানো হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন।
রাজ্যসভার (Rajya Sabha) গড় বয়স যেখানে ৬৪ সেখানে কেন এই পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। “এই পরিস্থিতিতে এখনও কেন সংসদ চলছে? প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করুন, এর সঙ্গে মধ্যপ্রদেশের কোনও যোগসূত্র আছে কি?” প্রশ্ন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদের। মধ্যপ্রদেশে কমলনাথ সরকারকে আস্থা ভোটের জন্যে লাগাতার চাপ দেয় বিজেপি। এদিকে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে ২৬ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার কার্যক্রম স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি(BJP)। বিজেপির দাবি আস্থা ভোট পিছোনোর জন্যেই বিধানসভা স্থগিত করে দিয়েছেন কমল নাথ। মধ্যপ্রদেশের তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এই বিষয়ে কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেন,”করোনা ভাইরাসও কমলনাথ সরকারকে বাঁচাতে পারবে না”। তবে সেই রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন সংসদ বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এটা কোনও ৫৬ ইঞ্চি বুকের ছাতি দেখানোর জায়গা নয়। আপনি একদিকে বলছেন যে বড় কোনও জমায়েত করবেন না। অন্যদিকে সংসদ চলছে। সংসদে আমাদের মধ্যে ৩ ইঞ্চিও ফারাক নেই। শুধু সাংসদরাই নন, নিরাপত্তা কর্মী, প্রবীণ আমলা, সহায়তা কর্মীরাও এখানে রয়েছেন”। গেরুয়া শিবির থেকে পাল্টা দাবি ওঠে, এই পরিস্থিতিতে সংসদ বন্ধ করে দিলে দেশে আরও বেশি করে করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়বে। সেই যুক্তি নস্যাৎ করে দিয়ে ডেরেক পালটা বলেন, “করোনা ভাইরাসই হোক বা রেলপথ, যাইই হোক না কেন, সরকারের কাছে সবসময় সবকিছুর জবাব থাকতে পারে না। যদি আপনি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হন তবে নিজের অহংকে বাদ দিয়ে অন্যকে নিয়ে চিন্তা করতে শিখুন”।
[আরও পড়ুন:করোনা রুখতে একাধিক শহর ‘লক ডাউন’-এর আরজি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি ব্যবসায়ীদের]
কিছু সংসদ করোনা আশঙ্কার কথা তুলে সংসদের অধিবেশন বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করার পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরকম ভয়ংকর সময়ে জনগণের প্রতিনিধিদের দেশের মানুষের কাছে উদাহরণ হয়ে ওঠা উচিত। এই প্রশ্নে জবাব দিতে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিমান সংস্থার কর্মী, চিকিৎসক ও সশস্ত্র বাহিনীর কর্মীদের নিরলসভাবে কাজ করে চলার উদাহরণ তুলে ধরেন।
[আরও পড়ুন:করোনায় পরোয়া নেই, অযোধ্যায় রামনবমীতে লক্ষাধিক মানুষের জমায়েতের সম্ভাবনা]
সর্বশেষ খবর
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?
-
দিল্লি দরবারে বৈঠক শেষে ‘খুশি’ মনে রাজ্যে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী, আজ রাতেই দপ্তর বণ্টন!
-
অভিষেকের কথাই শেষ কথা নয়! দলের খোলনলচে বদলে বড় সিদ্ধান্ত বিদ্রোহে ‘বিপন্ন’ মমতার
-
ভারতে ইবোলার হানা! জয়পুরে উগান্ডার পর্যটকের শরীরে সংক্রমণের লক্ষণ ঘিরে চর্চা