Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করবেন না, দিল্লি হিংসায় আমেরিকাকে কড়া বার্তা ভারতের

দিল্লির হিংসা নিয়ে সরব আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক মার্কিন কমিশন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০, ০৯:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০, ০৯:৩৬

options
link
দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করবেন না, দিল্লি হিংসায় আমেরিকাকে কড়া বার্তা ভারতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিরে যেতেই দিল্লির হিংসা নিয়ে সরব হল আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক মার্কিন কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)। তাদের অভিযোগ, বেছে বেছে মুসলিমদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে। অথচ সব দেখেশুনেও নীরব সরকার। নৃশংস এবং লাগামছাড়া হিংসা রুখে সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ তারা। তবে মার্কিন ওই সংগঠনের অভিযোগ খারিজ করে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য’ থেকে তাদের বিরত থাকতে পরামর্শ দিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। ভারতের কড়া মন্তব্যের পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুরে মার্কিন বিদেশ দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ‌্য এশিয়া ব্যুরো হিংসার ঘটনার মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে দ্রুত শান্তি ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানোর আরজি জানিয়েছে।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানের জেলেই অভিনন্দনের পাঁজর ভেঙেছিল! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য]

বুধবার ইউএসসিআইআরএফ-এর ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফর শেষ হতেই প্রাণঘাতী দাঙ্গায় তেতে উঠেছে উত্তর-পূর্ব দিল্লি। মুসলিমদের নিশানা করে উন্মত্ত জনতা হামলা চালাচ্ছে বলে জানতে পেরেছি আমরা। তাতে এখনও পর্যন্ত ২০ জনেরও বেশি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ২০০ জন। বেশ কিছু মসজিদ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে বলেও জানতে পেরেছি আমরা। এমন পরিস্থিতিতে এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন বহু মুসলিম। গত বছর ডিসেম্বর থেকে দেশ জুড়ে সিএএ বিরোধী আন্দোলন চলাকালীনই এই অশান্তি দানা বেঁধেছে।’

Advertisement

ওই মন্তব্যের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রাবিশ কুমার। তিনি টুইট করেন, ‘ইউএসসিআইআরএফ-এর অভিযোগ একেবারেই সঠিক নয়, বরং বিভ্রান্তিমূলক। মনে হচ্ছে, বিষয়টির রাজনীতিকরণই ওদের উদ্দেশ্য। হিংসা রুখে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা আমাদের সংস্থাগুলি। সরকারের শীর্ষস্তরের প্রতিনিধিরা বিষয়টি তদারক করছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে শান্তি এবং সৌভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার আর্জি জানিয়েছেন। এমন সংবেদনশীল সময়ে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো মন্তব্য না করতে অনুরোধ জানাচ্ছি আমরা।’

বস্তুত এর পরেই সরকারিভাবে বিবৃতি দিয়ে দিল্লির হিংসা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানায় মার্কিন বিদেশ দপ্তরএর দক্ষিণ ও মধ‌্য এশিয়া ব্যুরো। বুধবারই শান্তি বজায় রাখতে টুইট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার সেটিকেই রি-টুইট করে তারা জানায়, ‘ওই হিংসায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন ও আহত হয়েছেন, তঁাদের পরিবারের জন‌্য গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। শান্তি ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী যে আবেদন করেছেন, তারই প্রতিধ্বনি করে আমরা একই আবেদন জানাচ্ছি। সব পক্ষের কাছে আবেদন, শান্তি বজায় রাখুন। হিংসায় যুক্ত হবেন না। শান্তিপূর্ণ জমায়েতের অধিকারকে সম্মান দিন।’ অবশ‌্য বুধবারই মার্কিন নাগরিকদের জন‌্য সতর্কবার্তা জারি করেছে মার্কিন দূতাবাস। তাঁদের সতর্ক থাকতে এবং হিংসাদীর্ণ এলাকায় না যেতে অনুরোধ করা হয়েছে। কখন কোথায় বিক্ষোভ, মেট্রো বন্ধ এবং ঝামেলা হতে পারে, স্থানীয় সংবাদমাধ‌্যম থেকে সে বিষয়ে অবহিত থাকতে বলা হয়েছে মার্কিন নাগরিকদের।

[আরও পড়ুন: আইবি কর্মীর খুনে তাহির হোসেনের বিরুদ্ধে এফআইআর, দল থেকে সাসপেন্ড করল আপ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.