সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে ফিরেছিলেন নেতাজি! ছিলেন এ রাজ্যেই! এই অনুমান এখন আর শুধু গবেষকদের দাবি নয়৷ যত দিন যাচ্ছে এ ধারণাই যেন আরও দৃঢ় হচ্ছে৷ সম্প্রতি প্রকাশিত নেতাজি সংক্রান্ত ফাইলে তাঁর এ রাজ্যে থাকার বিষয়টিই যেন জোরাল হল৷
সম্প্রতি কেন্দ্র সরকারের তরফে প্রকাশিত হয়েছে নেতাজি সংক্রান্ত আরও কিছু ফাইল৷ সেই ফাইল অনুসারেই জানা যাচ্ছে, ১৯৬০ সাল নাগাদ তাঁর দেশে থাকা নিয়ে একাধিকবার কথাবার্তা হয়েছে প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে৷ সম্ভবত এ বঙ্গেই সাধুবেশে ছিলেন তিনি৷ বিভিন্ন ফাইলে কথোপকথনের ভিত্তিতে সে আন্দাজই পাওয়া যাচ্ছে৷ শৌলমারির আশ্রমের সাধু যে নেতাজি ছিলেন এ প্রসঙ্গ আগেও উঠেছিল৷ যদিও মুখার্জি কমিশন সে দাবি খারিজ করেছিল৷ তবে সে প্রসঙ্গ আবারও জোরালো হল৷ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুকে পাঠানো রমণী রঞ্জন দাসের এক চিঠির উল্লেখে নেতাজিকেই শৌলমারির সাধু কে কে ভান্ডারি হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে৷ সেই চিঠির ভিত্তিতে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোকে পাঠানো প্রধানমন্ত্রীর দফতরের মুখ্যসচিবের পাঠানো গোপন নোটেও এই উল্লেখ আছে৷
শুধু এই একবারই নয় বেশ কয়েকবার প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে এই সাধুকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে৷ নয়ের দশকে এই রটনা বেশ জোরদার ছড়িয়েছিল৷ শৌলমারির সাধুই যে নেতাজি এ নিয়ে অনেকে সওয়াল করেছিলেন অনেকে৷ তবে মুখার্জি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে তা চাপা পড়েছিল৷ নতুন ফাইল প্রকাশে সেই প্রসঙ্গই আবার মাথাচাড়া দিল৷ একের পর এক ফাইল প্রকাশে নেতাজি সম্পর্কে অনেক ঘটনাই সামনে আসছে৷ এতদিনে জানা গিয়েছে, ব্রিটিশরা কখনওই নেতাজিকে যুদ্ধপরাধীর তকমা দেননি৷ শৌলমারির সাধুই নেতাজি ছিলেন কি না, বা কেন কে কে ভান্ডারি নামের ওই সাধুকে নিয়ে ব্যতিব্যস্ত ছিলেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা-তা নতুন জল্পনার জন্ম দিচ্ছে৷
সর্বশেষ খবর
-
যা কিছু নাগালে, খুদে সব পুরছে মুখে, একরত্তির গলায় কিছু আটকালে কী করবেন নতুন বাবা-মা?
-
গণেশপুজো হয়ে উঠুক পরিবেশবান্ধব, ঘরেই ময়দা-হলুদে রূপ দিন সিদ্ধিদাতার
-
‘বিচ্ছেদ যন্ত্রণা ভুলে…’, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই ‘বিগ বস’ প্রতিযোগী ইশাকে পরামর্শ সলমনের!
-
‘বিরোধীরা জিতলে রাহুল প্রধানমন্ত্রিত্বের পদ দাবি করতেই পারেন’, মন্তব্য সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের
-
পুজোর আগেই সুখবর! হাসিনা কাঁটা সরিয়ে চালু হচ্ছে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী, বন্ধন এক্সপ্রেস