Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
হিন্দি নিয়ে কানিমোঝিকে অপমান CISF'এর

হিন্দি না বলায় নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন! বিমানবন্দরে চূড়ান্ত অপমানিত DMK সাংসদ কানিমোঝি

প্রশ্নকর্তা CISF অফিসারের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে তদন্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২০, ২১:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২০, ২১:২১

options
link
হিন্দি না বলায় নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন! বিমানবন্দরে চূড়ান্ত অপমানিত DMK সাংসদ কানিমোঝি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিমানবন্দরে চেকিংয়ের সময়ে হিন্দিতে কথা বলেননি। কর্তব্যরত অফিসার তাঁকে হিন্দি বলার অনুরোধ জানান প্রথমে। অনুরোধ মানতে নারাজ ছিলেন তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেত্রী তথা সাংসদ, করুণানিধি কন্যা কানিমোঝি (Kanimozhi)। আর সেই কারণে তাঁকে চূড়ান্ত অবমাননাকর এক প্রশ্নের মুখে পড়তে হল বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। CISF’এর ওই অফিসার কানিমোঝিকে প্রশ্ন করেন বলসেন, ”আপনি কি ভারতীয়?” রবিবার টুইট করে এই অভিযোগ তুলে তার জবাবও দিয়েছেন ডিএমকে সাংসদ।

হিন্দি ভাষা একেবারেই ব্রাত্য দক্ষিণ ভারতে। সেখানে আঞ্চলিক ভাষার ভূমিকা অনেক বেশি। প্রয়োজনে ইংরাজি। বিশেষত তামিলনাড়ুর কাছে হিন্দি মানে আগ্রাসনের ইঙ্গিত। ভাষা নিয়ে দক্ষিণের এই রাজ্য বেশ স্পর্শকাতর, মাতৃভাষার শক্তির প্রতি এতটাই আত্মবিশ্বাসী যে স্রেফ তার উপর ভর করেই যে কোনও আন্দোলনে নামতে দ্বিধা নেই। তার নজির আগেও পাওয়া গিয়েছে একাধিকবার। সেই রাজ্যের নেত্রী মাতৃভাষায় কথা বলবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে তার জন্য তাঁকে যে অপমানের মুখে পড়তে হল, তা এক তিক্ত অভিজ্ঞতা তো বটেই।

[আরও পড়ুন: বহু কোভিড রোগীর প্রাণ বাঁচিয়ে ছিলেন, শেষে করোনাযুদ্ধে হার মানলেন কাশ্মীরি চিকিৎসক]

এদিন বিমানবন্দরে কানিমোঝি হিন্দি না বলায় তাঁকে আধা সেনার অফিসার জিজ্ঞেস করেন, তিনি ভারতীয় কি না? এই প্রশ্নের ডিএমকে (DMK) নেত্রী প্রাথমিকভাবে স্তম্ভিত হয়ে যান। তবে দ্রুত তা সামলে নিয়ে তিনি পালটা প্রশ্ন করেন, ”হিন্দি জানা কবে থেকে ভারতীয় হওয়ার পরিচয় হয়ে দাঁড়াল?” নিজের টুইটারেও এই প্রশ্নই তুলেছেন তিনি। যদিও ব্যাপারটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে অনেকেই কানিমোঝির সমর্থনে পাশে দাঁড়ান। হিন্দি ভাষার আগ্রাসন নিয়ে প্রতিবাদী মন্তব্যও করেন।

[আরও পড়ুন: এবার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্কুল খুলে দেওয়া উচিত, মনে করছেন WHO’র প্রধান গবেষক]

এসবের জেরে বেশ চাপে পড়ে CISF। পালটা টুইট করে তাদের তরফে জানানো হয়, কারও উপর কোনও ভাষা চাপিয়ে দেওয়া তাদের নীতিবিরুদ্ধ। এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে ওই অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে CISF।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.