Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

চিনা দ্রব্য আমদানিতে বাড়তি কর, ডোকলাম ইস্যুতে কঠোর ভারত

ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেই চিনকে সবক শেখানোর পথে মোদি সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০১৭, ১০:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০১৭, ১০:১২

options
link
চিনা দ্রব্য আমদানিতে বাড়তি কর, ডোকলাম ইস্যুতে কঠোর ভারত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিরাট বাজার। সস্তার জিনিস। ফলে সহজেই কিস্তিমাত। ভারতের বিকিকিনির বাজারকে এভাবেই দখলে রেখেছে চিন। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে আর জমি ছাড়তে নারাজ ভারত। চিনা দ্রব্য আমদানির ক্ষেত্রে এবার বাড়তি কর (অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি) ধার্য করল ভারত। প্রায় ৯৩টি দ্রব্যের ক্ষেত্রে এই কর ধার্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর তাতেই চটে লাল লালফৌজের দেশ।

ডোকলামের দখল পেতে চিনের হাতিয়ার ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’ ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ডোকলাম বিবাদে ‘হিন্দি-চিনি ভাই ভাই’ সম্পর্ক তিক্ত হয়েছে। ফিরে এসেছে ৬২’র স্মৃতি। এবারও তলে তলে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে দুই দেশ। কূটনৈতিক স্তরে হমকি-হুংকার দেওয়া তো নৈমিত্তিক ঘটনা। বিবাদ মেটানোর চেষ্টা যে হয়নি তা নয়। ভারতের নিরাপত্ত উপদেষ্টা অজিত ডোভাল নিজে সুরাহা খুঁজতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরেছেন একরকম খালি হাতেই। দিনে দিনে এ উত্তেজনা বেড়েছে বই কমেনি। এই পরিস্থিতিতেই দেশের খোলা বাজারে চিনা ব্যবসায় রাশ টানতে উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। এর আগে একটি বড় ব্যসায়িক চুক্তি বাতিল করেছে মোদি সরকার। এবার ৯৩টি চিনা দ্রব্যের উপর কর বা অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি ধার্য করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যার জেরে চটে লাল চিন।

ডোকলাম ইস্যুতে এবার সরাসরি ভারতের পাশে দাঁড়াল আমেরিকা ]

দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বেশ ভালই ছিল এতদিন। কিন্তু কার্যত দেখা গিয়েছে চিনা প্রতাপে ক্ষতিই স্বীকার করতে হয়েছে ভারতকে। অর্থাৎ দুই দেশে মোট যে অঙ্কের বাণিজ্য হয়েছে, তার মধ্যে বেশি লভ্যাংশ পেয়েছে চিনই। সস্তায় কিস্তিমাত হয়েছে। কিন্তু এই ক্ষতি আর স্বীকার করতে নারাজ ভারত। বিশেষত যখন সীমান্তে যুদ্ধের আঁচ। ভারতের এই সিদ্ধান্তে পালটা হুঁশিয়ারি দিয়েছে চিনও। গ্লোবাল টাইমস-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, চিন এর কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। জানিয়েছে, ভারত যদি ব্যবসায়িক যুদ্ধে নামতে চায়, তবে যেন ভবিষ্যৎ পরিণতির কথাও মাথায় রাখে। যদিও সে চোখরাঙানিতে ভারত ভয় পাচ্ছে না নয়াদিল্লি। ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেই চিনকে সবক শেখানোর পথে হাঁটছে মোদি সরকার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.