Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

‘মুখ্যমন্ত্রীর সওয়াল করা নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, বিজেপি-ঘেঁষা সংগঠনকে ভর্ৎসনা প্রধান বিচারপতির

সোমবারের শুনানিতেও মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারেন বলে প্রাথমিক ভাবে শোনা গিয়েছিল। যদিও এদিনের শুনানিতে তিনি সশরীরে ছিলেন না। ভার্চুয়ালি ছিলেন কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৩:৫৫

options
link
‘মুখ্যমন্ত্রীর সওয়াল করা নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, বিজেপি-ঘেঁষা সংগঠনকে ভর্ৎসনা প্রধান বিচারপতির zoom
সোমবার সুপ্রিম কোর্টে সশরীরে ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এসআইআর মামলায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ব্যক্তিগত উপস্থিতির বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিল ‘অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা’। তা নিয়ে বিজেপি ঘেঁষা এই সংগঠনকে ভর্ৎসনা করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, রাজনীতি করবেন না!

সোমবার এসআইআর (West Bengal SIR) সংক্রান্ত একাধিক মামলার একসঙ্গে শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে ‘অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা’ মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি কান্ত বলেন, “এতে অস্বাভাবিক কী আছে? এটাই তো সংবিধানের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রকাশ। এই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করবেন না।”

Advertisement

তথ্যগত অসঙ্গতির (‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’) ভিত্তিতে ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম যেন বাদ না যায়— গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এই দাবি তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তাঁর দায়ের করা মামলায় সেদিন প্রধান বিচারপতির এজলাসে অভূতপূর্ব ভাবে নিজেই সওয়াল করেছিলেন। তা নিয়ে আপত্তি তুলেছিল বঙ্গবিজেপির নেতারা। মমতা সুপ্রিম কোর্টে ‘নাটক’ করতে গিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে তাঁর কথোপকথন সে রকম কিছুই প্রকাশ পায়নি। প্রধান বিচারপতির অনুমতি নিয়েই মামলাকারী হিসাবে সওয়াল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধান বিচারপতিই তাঁকে বলেছিলেন, পাঁচ মিনিট কেন? ১৫ মিনিট আপনাকে সময় দেওয়া হবে।”

সোমবারের শুনানিতেও মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারেন বলে প্রাথমিক ভাবে শোনা গিয়েছিল। যদিও এদিনের শুনানিতে তিনি সশরীরে ছিলেন না। ভারচুয়াল ছিলেন কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।

শুধু তা-ই নয়, এসআইআর-এ নাম বাদ যাওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে যে বিষয় তুলে ধরেছিলেন আগের শুনানিতে, তার জন্য তাঁকে ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। মমতার উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, “আপনার পিটিশনে কিছু বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই এই বিষয়টি উত্থাপন করার জন্য যে, স্থানীয় ভাষায় কারণে কিছু সমস্যা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারে সমস্যা হচ্ছে এখন। আমরা কিছু একটা উপায় বার করব।”

আগের শুনানিতে মমতার আর্জি ছিল, ভোটার তালিকায় কার নাম থাকবে, ডিইও, ইআরও-দের হাতেই যেন তার ছাড়পত্র দেওয়ার ক্ষমতা থাকে। ‘বিজেপি শাসিত রাজ্য’ থেকে পশ্চিমবঙ্গে নিযুক্ত রোল অবজার্ভার, মাইক্রো অবজার্ভারদের হাতে যেন ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চূড়ান্ত ক্ষমতা দেওয়া না হয়। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর এই আর্জি মেনে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, কমিশন প্রয়োজনে ইআরও এবং এইআরও-দের পরিবর্তন করতে পারবে। যোগ্য মনে হলে বর্তমান অফিসারদের ব্যবহারও করতে পারবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই। মাইক্রো অবজার্ভার এবং এই অফিসারেরা শুধুমাত্র সাহায্য করবেন। রাজ্যের দেওয়া অফিসারদের দু’দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে বলেও জানিয়েছে কমিশন।

প্রসঙ্গত, সোমবারের শুনানিতেও মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারেন বলে প্রাথমিক ভাবে শোনা গিয়েছিল। যদিও এদিনের শুনানিতে তিনি সশরীরে ছিলেন না। ভারচুয়াল ছিলেন কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.