Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
বেকারত্ব

শুরুতেই জোড়া ধাক্কা মোদির! পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন জিডিপি, ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ বেকারত্ব

জিডিপির হারে ভারতকে অনেকটা পিছনে ফেলল চিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০১৯, ২১:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০১৯, ২১:১১

options
link
শুরুতেই জোড়া ধাক্কা মোদির! পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন জিডিপি, ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ বেকারত্ব zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশপ্রেমের বাদ্যি বাজিয়ে, আর জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে মোদি সরকার। কিন্তু দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির যে বিশেষ কোনও উন্নতি হয়নি, তা প্রকাশ পেল নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণের পরের দিনই। একই সঙ্গে জোড়া পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে এল, যা নতুন সরকারের অস্বস্তি বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট। প্রথমটি বেকারত্বের আর দ্বিতীয়টি সার্বিক বৃদ্ধির হার বা জিডিপির। পরিসংখ্যান বলছে, গত ৪৫ বছরের মধ্যে দেশে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, জিডিপির পরিসংখ্যান বলছে সার্বিক বৃদ্ধির হার গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্বস্তির এই জোড়া পরিসংখ্যান যে পূর্ববর্তী সরকারের ব্যর্থতারই ফলশ্রুতি তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

[আরও পড়ুন: ছাপোষা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সারেঙ্গির রাজনৈতিক জীবনেও রয়েছে কালির ছিটে]

বেকারত্বের এই পরিসংখ্যানটি অবশ্য ভোটের আগেই প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। সরকারের শ্রম দপ্তর তথ্য প্রকাশ্যে না আনলেও সংবাদমাধ্যমের দৌলতে তা জনসমক্ষে আসে। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পর সেই পরিসংখ্যানেই কার্যত সরকারি শিলমোহর পড়ে গেল। শ্রম দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ৬.১ শতাংশ। যা ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ। মহিলাদের মধ্যে বেকারত্বের হার তুলনায় কম (৫.৭ শতাংশ) থাকলেও পুরুষ চাকরিপ্রার্থীদের কাজের অভাবের পরিসংখ্যানটি আরও উদ্বেগজনক। বিগত অর্থবর্ষে পুরুষদের মধ্যে বেকারত্বের হার ছিল ৬.২ শতাংশ। শহরাঞ্চলে বেকারত্বের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি (৭.৮ শতাংশ)। তুলনায় গ্রামাঞ্চলে কাজের সুযোগ বেশি (বেকারত্বের হার ৫.৩ শতাংশ)।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘যেন সামনে বাবা বসে রয়েছেন’, মোদি-শাহর আশীর্বাদে আপ্লুত মন্ত্রী দেবশ্রী]

জিডিপি অর্থাৎ, সার্বিক আর্থিক বৃদ্ধির হারের পরিসংখ্যানটি আরও চিন্তার। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের প্রথম তিন মাসে দেশের জিডিপির হার মাত্র ৫.৮ শতাংশ। যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এমনকী নোটবন্দির পরও এতটা দুর্দশা হয়নি অর্থনীতির। তবে, জিডিপির এই অধোগতি অবশ্য নতুন কিছু নয়। গত তিন ত্রৈমাসিক ধরেই নিয়মিত কমছে বৃদ্ধির হার। ২০১৮-র শেষ ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৬ শতাংশ।গত বছরের সার্বিক জিডিপির হার ৭.২ থেকে কমে হয়েছে ৬.৮ শতাংশ। এবছরের শুরুতে তা এক ধাক্কায় আরও অনেকটাই কমল। জিডিপির এই বিরাট পতনের জেরে বিশ্বের দ্রুততম অর্থনীতির তকমাও খোয়াতে হল ভারতকে। ওই খেতাব চলে গেল চিনের দখলে। ড্রাগনের দেশের বর্তমান বৃদ্ধির হার ৬.৪ শতাংশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.