Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

গণতন্ত্রের ‘বস্ত্রহরণ’ মিম, ‘দ্রৌপদী’ কার্টুনে বিতর্কে কংগ্রেস

হিন্দু ভাবাবেগে আঘাতের উদ্দেশ্য ছিল না, দাবি দলীয় নেতৃত্বের৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০১৯, ০৮:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০১৯, ০৮:৫১

options
link
গণতন্ত্রের ‘বস্ত্রহরণ’ মিম, ‘দ্রৌপদী’ কার্টুনে বিতর্কে কংগ্রেস zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনৈতিক বিক্ষোভে টেনে আনা হল মহাভারতকে। বৃহস্পতিবার তেলেঙ্গানায় ‘দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ’ কার্টুন দিয়ে নির্বাচন কমিশন ও শাসক তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতিকে আক্রমণ করতে গিয়ে বিপাকে প্রদেশ কংগ্রেস। শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। সরাসরি কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেছে বিজেপি। সক্রিয় রাজনীতিতে সদ্য পা রাখা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এমন প্রচার অনুমোদন করেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।
বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদে একটি মিছিলে নির্বাচন কমিশনকে জড়িয়ে ‘দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ’ কার্টুন-পোস্টার প্রচার করেছিল কংগ্রেস। ওই কার্টুনে তুলে ধরা হয়েছে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ পর্ব। তাতে দ্রৌপদীর চরিত্রে সাধারণ ভোটার। এক দিকে রয়েছেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও ও মজলিস-এ-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। আর অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন। তিন পক্ষকে দেখানো হয়েছে কৌরবদের (মহাভারতে যাঁরা দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ করেছিলেন) প্রতীক হিসেবে। অর্থাৎ কার্টুনের মূল বিষয়বস্তু, নির্বাচন কমিশন, টিআরএস এবং মিম মিলে তেলেঙ্গানায় ভোট লুঠ করেছে।

[এই নির্বাচন নতুন ভারত তৈরি করবে, সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে বার্তা রাষ্ট্রপতির]

এই কার্টুন-পোস্টার নিয়ে মিছিলের পর হায়দরাবাদ তো বটেই তেলেঙ্গানা জুড়েই রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। শুক্রবারই তেলেঙ্গানায় বিজেপির মুখপাত্র কৃষ্ণ সাগর রাও দাবি জানিয়েছেন, রাহুল গান্ধীকে ক্ষমা চাইতে হবে। তাঁর বক্তব্য, “হিন্দু পৌরাণিক চরিত্রদের নিয়ে এরকম কার্টুন রাহুল বা সদ্য সক্রিয় রাজনীতিতে আসা প্রিয়াঙ্কা কি সমর্থন করেন?” তীব্র সমালোচনা করেছেন মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি-ও। তিনি বলেন, “কেউ যদি সোনিয়া-রাহুল-প্রিয়াঙ্কার এরকম কার্টুন তৈরি করে, তাহলে কংগ্রেস কী বলবে? কংগ্রেস প্রতিবাদ করতেই পারে, কিন্তু মহিলাদের এভাবে অপমান করার কোনও অধিকার নেই।” নির্বাচন কমিশন যদিও এখনও এ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি। অবশ্য কার্টুনে বিতর্কিত কিছু নেই বলে মন্তব্য করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি উড়িয়ে দিয়েছে তেলেঙ্গানা প্রদেশ কংগ্রেস। দলের তেলেঙ্গানার নির্বাচন কমিটির প্রধান শশীধর রেড্ডি বলেন, রাহুল বা কংগ্রেস নেতাদের ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই। আমি এই কার্টুন-পোস্টারের দায়িত্ব নিচ্ছি। এর মধ্যে হিন্দু ধর্মকে আঘাত করার মতো কিছুই নেই। তেলেঙ্গানায় গণতন্ত্রের বর্তমান পরিস্থিতিই এই কার্টুনে তুলে ধরা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত এখনও এ নিয়ে কিছু বলছে না। আমি নিজে হিন্দু হয়ে হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত লাগে এরকম কোনও কাজ করব না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.