Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
সংশোধানাগার

‘লকডাউনে বন্দিদের জামিনে মুক্তি বিপজ্জনক’, সুপ্রিম কোর্টকে জানাল বিহার সরকার

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়বেন মুক্তি পাওয়া বন্দিরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২০, ২০:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২০, ২০:৩২

options
link
‘লকডাউনে বন্দিদের জামিনে মুক্তি বিপজ্জনক’, সুপ্রিম কোর্টকে জানাল বিহার সরকার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা (COVID-19) সংক্রমণের আবহে কারাবন্দিদের প্যারোল বা জামিনে ছেড়ে দেওয়া বিপজ্জনক বলে সুপ্রিম কোর্টকে জানান বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সংক্রমণের প্রভাব দেখা যেতে পারে সংশোধনাগারেও। তাই লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরই কারা বন্দিদের ছেড়ে দেওয়ার দাবি ওঠে। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে যেখানে করোনা জরুরি পরিষেবা ছাড়াই কিছুই মিলছে না সেখানে বন্দিদের মুক্তি দিলেও তা সমাজের বাকিদের পক্ষেও সমস্যার হয়ে দাঁড়াবে বলেও মত প্রকাশ বিহার সরকারের।

করোনা সংক্রমণের ভয় সর্বত্র। এই আতঙ্ক থেকে মুক্ত নন সংশোধনাগারের বন্দিরাও। তাই লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরই দ্রুত বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার দাবি ওঠে। কিন্তু শুধুমাত্র সংক্রমণের ভয়ে বন্দিদের প্যারোলে মুক্তি দেওয়া সমাজের পক্ষে মোটেই ইতিবাচক নয় বলেই দেশের শীর্ষ আদালতকে জানান নীতীশ কুমারের সরকার। অন্যদিকে মুক্তি পেলেও লকডাউনের সময় তারা কীভাবে বাড়ি ফিরবেন সেটা ও একটা চিন্তার বিষয়। ২৩ মার্চ স্ট্যান্ডিং কাউন্সিলের তরফ থেকে কেশব মোহন শীর্ষ আদালতের কাছে একটি আবেদন করে ভারতের বিচারাধীন বন্দিদের মুক্তির দাবি জানান। তারই পালটা নীতীশ কুমারের সরকার সেই মুক্তির আবেদন খারিজ করার কথা বলেন। পাশাপাশি বন্দিদের করোনা সংক্রমণের ভয়ে মুক্তি দিলে কী কী সমস্যা হতে পারে তাও তুলে ধরেন। দেশের বিচারাধীন বন্দিরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দা। তাদের মুক্তি দিলে লকডাউনের সময় তাদের বাড়ি ফিরতে সমস্যা হতে পারে। পাশাপাশি বাড়ি ফিরতে গিয়ে তাদের সংক্রমিত হয়ে পড়ার ও আশঙ্কা রয়েছে। কেশব মোহন জানান, “বিহারেরই ৫৯ জন বন্দিরা এমন একটি সংশোধনাগারে রয়েছেন যেখানে ৩৯ হাজার বন্দি থাকার কথা সেখানে ৪৪ হাজার বন্দিদের রাখা হয়েছে।” করোনা মোকাবিলায় সংশোধনাগারের ভিড় কমাতেই বিচারাধীন বন্দিদের মুক্তির দাবি তুলেছেন কেশব মোহন। যদিও বিহার সরকারের তরফ থেকে জানান হয়,”এখনও পর্যন্ত কোনও বন্দির শরীরেই করোনার সংক্রমণের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এছাড়া তারা সমাজের বাকিদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রয়েছে ফলে সংক্রমণের সম্ভাবনা তাঁদের মধ্যে কম।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:ইংল্যান্ডে মৃত ছেলে, শেষ দেখা নিয়েও সংশয়ে লকডাউনে আটকে পড়া বাবা-মা]

রাজ্য সরকার আরও জানায়,”১৫ দিনের জন্যও বন্দিদের মুক্তি দিলে লকডাউনে প্রধান সমস্যা তাঁদের বাড়ি যাওয়া। কারণ, লকডাউনের জেরে বন্ধ সমস্ত গণ পরিবহন। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিহারে এলে তাঁদের পরিবারের সকলে করোনা সংক্রমণের ভয়ে তাদের বাড়িতে ঢুকতে নাও দিতে পারে।”

[আরও পড়ুন:রপ্তনি করা হবে প্যারাসিটামল ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, তবে রাশ থাকছে ভারতের হাতেই]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.