Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
পর্যবেক্ষক

রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পর্যবেক্ষক বিজেপি প্রার্থীর স্বামী, আপত্তি তৃণমূলের

বিএসএফের ডিজি থাকাকালীন বনগাঁয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০১৯, ১৩:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০১৯, ১৩:৩২

options
link
রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পর্যবেক্ষক বিজেপি প্রার্থীর স্বামী, আপত্তি তৃণমূলের zoom

নন্দিতা রায়: রাজ্যের কেন্দ্রীয় বাহিনীর পর্যবেক্ষক নিযুক্ত হলেন বিএসএফের প্রাক্তন ডিজি কে কে শর্মা। মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশনারের তরফে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশেষ পর্যবেক্ষক হবেন বিএসএফের প্রাক্তন ডিজি। তাঁর এই নিযুক্তি নিয়েই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। তাঁর নিয়োগে আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। 

[আরও পড়ুন: ভোটপ্রচারে মোদিকে ‘ব্যক্তিগত’ আক্রমণ, অনুব্রত মণ্ডলের বক্তব্যে বিতর্ক]

কে কে শর্মা ১৯৮২ ব্যাচের আইপিএস অফিসার। বেশ কিছুদিন বিএসএফের ডিরেক্টর জেনারেল পদে ছিলেন। এই অবসরপ্রাপ্ত আইপিএসকেই ঝাড়খণ্ড এবং বাংলার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলির উপর নজরদারি করবেন। কোথায় কী পরিমাণ বাহিনী নিয়োগ করা হবে, সেসবও তিনিই ঠিক করবেন। তবে, কে কে শর্মার এই নিয়োগে সিঁদুরে মেঘ দেখছে এরাজ্যের শাসক দলের একাংশ।

Advertisement

আসলে, বিএসএফের ডিজি থাকাকালীন বনগাঁয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। তৃণমূলের অভিযোগ ছিল যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অনুষ্ঠানে তিনি হাজির ছিলেন, সেটি আসলে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত। আর কোনও ধর্মীয় বা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত সংগঠনে সেনার পোশাক পরে যাওয়া যায় না। তৃণমূলের এই অভিযোগ ঘিরে বেশ শোরগোলও পড়ে যায় সেসময়। কে কে শর্মার আরেকটি পরিচয়ও আছে। তিনি দক্ষিণ মালদহের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরির স্বামী।

[আরও পড়ুন: ‘বুথ দখলের চেষ্টা হলে চলবে গুলি’, প্রচার সভায় হুঁশিয়ারি বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসুর]

আর এতেই আপত্তি বিরোধী শিবিরের। মূলত দুটি প্রশ্ন উঠছে৷ যাঁর স্ত্রী সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত, এবং যিনি নিজে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত সংগঠনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন, তাঁকে অবজার্ভার নিয়োগ করা কতটা যুক্তিযুক্ত? ইতিমধ্যেই এতে আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করছে শাসক শিবির। কমিশন না শুনলে রাষ্ট্রপতিরও দ্বারস্থ হতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। 

 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.