Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Anup Majhi

কয়লা পাচার মামলায় নয়া মোড়! লালার আগাম জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ইডি

তদন্তকারী সংস্থার আবেদনের ভিত্তিতে অনুপ মাজির কাছে জবাব তলব করেছে শীর্ষ আদালত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৬, ১৪:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৬, ১৪:৪৫

options
link
কয়লা পাচার মামলায় নয়া মোড়! লালার আগাম জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ইডি zoom
লালার আগাম জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ইডি
Advertisement

কয়লা পাচার মামলায় অভিযুক্ত অনুপ মাজি (Anup Majhi) ওরফে লালার আগাম জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে বড় পদক্ষেপ নিল ইডি। মঙ্গলবার বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ দিল্লি হাই কোর্টের দেওয়া আগাম জামিনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আবেদনের ভিত্তিতে অনুপ মাজির কাছে জবাব তলব করেছে।

আদালতে ইডির তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু দাবি করেন, অনুপ মাজি কয়লা পাচার চক্রের “মূল চক্রী”। তাঁর বক্তব্য, ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ইসিএল)-এর খনি এলাকা থেকে বেআইনিভাবে কয়লা তুলে পাচারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ জাতীয় সম্পদ লুঠ করা হয়েছে। ইডির দাবি, এই চক্রে অন্তত ২,৭৪২ কোটি টাকার কয়লা পাচারের তথ্য উঠে এসেছে। আদালতে তিনি আরও জানান, তদন্তের প্রথম দিকে অনুপ মাজি সহযোগিতা করেননি এবং দীর্ঘ সময় তদন্তকারীদের নাগালের বাইরে ছিলেন। অন্যদিকে অনুপ মাজির আইনজীবী সিদ্ধার্থ দাভে দাবি করেন, তাঁর মক্কেল তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন এবং ইতিমধ্যেই ২৩ বার ইডির সামনে হাজিরা দিয়েছেন। তাই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আর কোনও প্রয়োজন নেই।

Advertisement

তিনি আদালতে আরও বলেন, মূল সিবিআই মামলাতেও অনুপ মাজি আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন। শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট মৌখিকভাবে জানায়, প্রয়োজনে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত ঝুলে থাকা নিয়েও ইডির ভূমিকায় প্রশ্ন তোলে বেঞ্চ। পরে অনুপ মাজির কাছে জবাব তলব করে নোটিস জারি করে শীর্ষ আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে ইসিএলের খনি এলাকা থেকে বেআইনি কয়লা উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগে অনুপ মাজি-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিবিআই এফআইআর দায়ের করে। সেই মামলার ভিত্তিতেই পরে আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বেআইনি কয়লা ব্যবসার টাকার লেনদেন গোপন করতে একাধিক শেল কোম্পানি তৈরি করা হয়েছিল এবং ভুয়ো ডিরেক্টরদের ব্যবহার করা হয়। অনুপ মাজির হিসাবরক্ষকের কাছ থেকেও বেআইনি কয়লা ব্যবসার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি ইডির। উল্লেখযোগ্যভাবে, অনুপ মাজিকে ঘিরে ইডির তদন্তের সূত্র ধরেই চলতি বছরে কলকাতায় আই-প্যাকের অফিসেও তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.