Advertisement
Advertisement

Breaking News

জেট এয়ারওয়েজ

জেট এয়ারওয়েজের কর্ণধারের বাড়িতে ইডির হানা, আর্থিক প্রতারণা মামলায় তল্লাশি

নরেশ গোয়েলের বিরুদ্ধে ৪৬ কোটি টাকা আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ।

Ed raid Naresh Goyal`s Mumbai Residence at wednesday night.
Published by: Sucheta Chakrabarty
  • Posted:March 5, 2020 10:08 am
  • Updated:March 5, 2020 10:08 am

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবার রাতে জেট এয়ারওয়েজের (Jet Airways) প্রতিষ্ঠাতা নরেশ গোয়েলের (Naresh Goyal) বাড়িতে ইডির হানা। আর্থিক প্রতারণা মামলায় নরেশ গোয়েলের মুম্বইয়ের বাড়িতে হানা দিয়ে ইডির আধিকারিকরা (Enforcement Directorate) তল্লাশি চালান। সম্প্রতি নরেশ গোয়েল ও তাঁর স্ত্রী অনিতা গোয়েলের বিরুদ্ধে ৪৬ কোটি টাকা আর্থিক প্রতারণা করার অভিযোগ আনে একটি ট্র্যাভেল সংস্থা। তারা গোয়েলের বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই তল্লাশি বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা।

এর আগেও বৈদেশিক মুদ্রা নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের নজরে পড়েছিলেন নরেশ গোয়েল। ২০১৪ সালে জেট প্রিভিলেজ লিমিটেড-এর শেয়ার কিনে বিনিয়োগ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিমান সংস্থা এতিহাদ এয়ারওয়েজ। পরবর্তীকালে অভিযোগ ওঠে, ওই চুক্তিতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের নিয়ম মানা হয়নি। সেই তদন্তে নেমে গত বছর সেপ্টেম্বরে ইডি আধিকারিকরা নরেশ গোয়েলকে ডেকে প্রায় ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। বৈদেশিক মুদ্রা নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই তল্লাশি বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। ইডির আধিকারিকদের দাবি, আবু ধাবির বিমান সংস্থাটির সঙ্গে জেটের চুক্তিতে মূল ভূমিকা ছিল নরেশ গোয়েলেরই। তাই তাঁর বিরুদ্ধে বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে (FEMA) তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাটি। এর আগে আবুধাবির বিমান সংস্থা এতিহাদ এয়ারওয়েজ জেট সংস্থায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করায় অভিযোগ ওঠে যে বৈদেশিক মুদ্রা নীতি লঙ্ঘন করেছেন জেট কর্তা। সেই সময়ও তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে ইডি। তবে এবার জেটকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণা প্রতিরোধ আইন অর্থাৎ পিএমএলএ-র অধীনে পৃথক তদন্ত শুরু করল ওই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাটি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত পেটিএম কর্মী, আতঙ্কে বন্ধ গুরগাঁওয়ের অফিস]

নরেশ গোয়েলের বাসভবনে ইডির অভিযান এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে তাঁর মুম্বই এবং দিল্লির বাসভবন-সহ মোট ১২টি জায়গায় অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই অভিযানে জানা যায়, যে নরেশ গোয়েল তাঁর বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলিতে প্রচুর পরিমাণে বেআইনি অর্থ জমিয়ে রেখেছেন। গত বছরের মে মাসে, নরেশ গোয়েল এবং তাঁর স্ত্রীকে লন্ডন রওনা হওয়ার সময় মুম্বই বিমানবন্দরে আটকে দেন অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিকরা। তাঁদের দুজনের বিরুদ্ধেই লুক আউট সার্কুলার জারি করা হয়। গত বছরের বছরের মার্চে জেট এয়ারওয়েজের ডিরেক্টর এবং চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দেন নরেশ গোয়েল। প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা ঋণের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৭ এপ্রিল থেকে বন্ধ হয়ে যায় ওই সংস্থার সব উড়ান। রাতারাতি কাজ হারান সংস্থার প্রায় ২০ হাজার কর্মী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘সাংসদদের ব্যবহারে আমি দুঃখিত’, অধিবেশন মুলতুবির পর আক্ষেপ লোকসভার স্পিকারের]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ