Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
NCERT Textbook Row

নিষিদ্ধ এনসিইআরটি-র ‘বিতর্কিত’ পাঠ্যবই! ‘সুপ্রিম’ তোপের পর মুখ খুললেল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে আদালতে ক্ষমা চেয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু শীর্ষ আদালত মোদি সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা  করেছে। জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত গভীর পর্যন্ত করতে হবে। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে। উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “যদি আপনি গোটা শিক্ষক সমাজ এবং শিক্ষার্থীদের শেখান যে বিচার বিভাগ দুর্নীতিগ্রস্ত – তাহলে কী বার্তা যাবে? শিক্ষকরা, অভিভাবকরা কী শিখবেন!”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৭:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৭:৩৫

options
link
নিষিদ্ধ এনসিইআরটি-র ‘বিতর্কিত’ পাঠ্যবই! ‘সুপ্রিম’ তোপের পর মুখ খুললেল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী zoom
এনসিইআরটি বিতর্কে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
Advertisement

অষ্টম শ্রেণির এনসিইআরটি-র পাঠ্যবইয়ে (NCERT Textbook) ‘বিচারব্যবস্থায় দুর্নীতি’র অধ্যায় নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক (Row) তৈরি হয়েছে। তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার কড়া অবস্থান নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ‘বিতর্কিত’ ওই পাঠ্যবই নিষিদ্ধ করেছে শীর্ষ আদালত আদালত। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।   

বৃহস্পতিবার এনসিইআরটি বিতর্কে দুঃখপ্রকাশ করেছেন ধর্মেন্দ্র। তিনি বলেন, “আমরা বিচার বিভাগকে সম্মান করি। আদালত যা নির্দেশ দিয়েছে, আমরা তা সম্পূর্ণরূপে মেনে চলব। যা ঘটেছে তাতে আমি দুঃখিত।” তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে আসতেই আমি তাৎক্ষণাৎ এনসিইআরটি-কে সমস্ত বই প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছি। আমি নিশ্চিত করেছি সেগুলি যাতে বাজারে না আসে। বইগুলি প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দিয়েছি। বিচার বিভাগকে অসম্মান করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়।” সংশ্লিষ্ট বইটি এবং সেটির অধ্যায় যারা তৈরি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, “”বিচার বিভাগের উপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তাদের নির্দেশ মেনে চলা আমাদের সাংবিধানিক এবং নৈতিক দায়িত্ব।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে আদালতে ক্ষমা চেয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু শীর্ষ আদালত মোদি সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা  করেছে। জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত গভীর পর্যন্ত করতে হবে। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে। উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “যদি আপনি গোটা শিক্ষক সমাজ এবং শিক্ষার্থীদের শেখান যে বিচার বিভাগ দুর্নীতিগ্রস্ত – তাহলে কী বার্তা যাবে? শিক্ষকরা, অভিভাবকরা কী শিখবেন!” এরপরই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ পাঠ্যবইটিকে ভারতে এবং দেশের বাইরেও নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি, আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বইটি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবেও যেন অনলাইনে প্রকাশিত না হয়। এনসিইআরটি-র চেয়ারম্যান অধ্যাপক দীনেশ প্রসাদকে নোটিসও পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

উল্লেখ্য, এর আগের সংস্করণের পাঠ্যবইয়ে মূলত দেশের বিচার ব্যবস্থা ও আদালতের ভূমিকার কথাই শুধু ছিল। কিন্তু নতুন বইয়ে ‘আমাদের সমাজে বিচারবিভাগের ভূমিকা’ শীর্ষক সংশোধিত অধ্যায়ে শুধুমাত্র আদালতের গঠন, কাঠামো, ন্যায়বিচারের সুযোগের মধ্যেই আলোচনা সীমিত রাখা হয়নি। বিচারব্যবস্থার কাজকর্মে প্রভাব ফেলে, এমন সমস্যাগুলিও তুলে ধরা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতির প্রসঙ্গও।

বইয়ের ওই অধ্যায়ে বিচার ব্যবস্থার অন্দরে দুর্নীতি এবং বিশেষ করে সমাজের গরিব, আর্থিকভাবে দুর্বলতর অংশের সুবিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে তার প্রভাবের কথা রয়েছে। লেখা হয়েছে, সাধারণ মানুষ নিজেদের অভিজ্ঞতায় বিচারব্যবস্থার নানা স্তরে দুর্নীতি হতে দেখেন। গরিব ও প্রান্তিক অংশের মানুষের পক্ষে এর ফলে সুবিচার পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। তাই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্তরে বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা তৈরি ও বিচার কাঠামোয় স্বচ্ছতার প্রসারে লাগাতার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.