Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Akhilesh Yadav

‘মৃত’ নির্বাচন কমিশনকে সাদা কাপড় দিয়ে বিতর্কে অখিলেশ, সমালোচনায় মুখর বিজেপি

'এমন অপকর্ম ভারতের সংসদীয় কার্যক্রমে', বলছে গেরুয়া শিবির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৫, ০৮:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৫, ০৮:৫৮

options
link
‘মৃত’ নির্বাচন কমিশনকে সাদা কাপড় দিয়ে বিতর্কে অখিলেশ, সমালোচনায় মুখর বিজেপি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ”নির্বাচন কমিশন মৃত!” অখিলেশ যাদবের মন্তব্যে বিতর্ক মাথাচাড়া দিল রাজনৈতিক মহলে। জবাবে সুর চড়াল বিজেপিও। কারণ, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে আক্রমণের পাশাপাশি বিজেপিকেও তীব্র কটাক্ষ করেছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। সরব হয়েছে বিজেপি। তাদের দাবি, এ ক্ষেত্রে অন্য বিরোধী দলগুলির অবস্থান পরিষ্কার হওয়া উচিত এবং সমাজবাদী পার্টি ও অখিলেশ যাদবের সংসদে এই অপকর্মের জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত।

বুধবার উত্তরপ্রদেশের মিল্কিপুর বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন ছিল। এই উপনির্বাচন ঘিরে একগুচ্ছ অভিযোগ জনিয়েছে সমাজবাদী পার্টি। এরই প্রেক্ষিতে অখিলেশ বলেছেন, “এটাই বিজেপির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ধরন। নির্বাচন কমিশন মৃত, আমরা তাদের সাদা কাপড় উপহার দেব।” শুধু তাই নয়, বৃহস্পতিবার লোকসভায় সপা সাংসদরা ‘নির্বাচন কমিশন’ লেখা সাদা কাপড় নিয়ে আসেন।

Advertisement

এরপরই তীব্র সমালোচনা করেন বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্র। অখিলেশকে ক্ষমা চাইতে বলেন সম্বিত। বিজেপি নেতা বলেছেন, “সংসদ অধিবেশন শুরু হতে না হতেই, সমাজবাদী পার্টি সমস্ত মর্যাদা ভেঙে দিয়েছে। এমন অপকর্ম ভারতের সংসদীয় কার্যক্রমে এখনও পর্যন্ত ঘটেনি। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং একে মৃত বলা এবং এর জন্য সাদা কাফন দেওয়া গণতন্ত্রের উপর আঘাত।”

বুধবার অখিলেশ দাবি করেছিলেন, ভোটারদের আইডি কার্ড পরীক্ষা করছে পুলিশ। এক্স-এ একটি পোস্টে, তিনি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, “সিনিয়র পুলিশ অফিসাররাও ভোটারদের প্রভাবিত করেছেন। ভোটারদের মধ্যে ভীতি তৈরি করে ভোটদানে প্রভাবিত করা অপরাধ। এই প্রশাসনিক অফিসারদের অবিলম্বে অপসারণ করা উচিত এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।” অযোধ্যা পুলিশ সমাজবাদী পার্টির প্রধানের এই অভিযোগের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বলেছে, যে বুথ এজেন্টদের আইডি কার্ডগুলি চেক করা হচ্ছিল। ভোটারদের নয়। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে ‘মিথ্যা প্রচার না করার’ জন্যও আবেদন করা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.