সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্মচারী ভবিষ্যনিধি প্রকল্প বা ইপিএফও (EPFO) আইনে বদল আনার পথে কেন্দ্র। বেতনের ঊর্ধ্বসীমার নিরিখে প্রভিডেন্ট ফান্ডে যুক্ত রাখার নিয়ম উঠিয়ে দেওয়ার কথা ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। দরজা খুলে যাচ্ছে প্রতিটি কর্মীর জন্য, যাঁরা সংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত। এমনই খবর মিলেছে কেন্দ্র সূত্রে।
বর্তমানে দেশে চালু থাকা এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডস অ্যান্ড মিসলেনিয়াস প্রভিশনস অ্যাক্ট ১৯৫২ অনুযায়ী, যে সমস্ত কর্মীর বেতনের বেসিক (Basic Salary) ১৫ হাজার বা তার কম হত, তাদেরই অন্তর্ভুক্ত করা হত ইপিএফও-তে। এবার তার পরিসর বৃদ্ধির কথা চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্র। এছাড়া সংস্থার কর্মী সংখ্যা বিষয়েও নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল। সংস্থার কর্মী সংখ্যা ন্যূনতম ২০ হলে তবেই সেই সংস্থা ইপিএফও-ভুক্ত হতে পারত।
[আরও পড়ুন: বুলডোজারের ভয় দেখাতেই খুলল দরজা! বিতাড়িত স্ত্রীকে স্বামীর ঘরে ফেরাল পুলিশ]
এই দুই নিয়মই বাতিল করে সমস্ত সংগঠিত সংস্থা এবং সমস্ত বেতনসীমার কর্মীকেই ইপিএফও-ভুক্ত করা হবে। অবসরকালীন সুবিধা ভাতার এই সংগঠনের বর্তমান নিয়মকানুন ১৯৫২ সালের আইন মেনেই চলে আসছে। বর্তমানে সাড়ে পাঁচ কোটির বেশি গ্রাহক থাকা এই সংগঠনের আইনে বদল এলে তা গ্রাহকদের জন্য প্রকল্পে অনেক বেশি নমনীয়তা আনতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: গঙ্গাবক্ষে নৌকায় বসে হুঁকো পান, মাংস রান্না যুবকদের! ভিডিও ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে যোগীরাজ্যে]
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আপাতত প্রধান দুটি বিষয়েই নজর দেওয়া হয়েছে এবং তা হল বেসিকের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দেওয়া ও ন্যূনতম কর্মী সংখ্যার নিয়ম বাতিল করা। এছাড়া শেয়ার বাজারে (Share Market) তাদের বিনিয়োগের পরিমাণও বেশকিছুটা বৃদ্ধির কথা ভাবছে ইপিএপও-র অছি পরিষদ। বর্তমানে ইপিএফও-র ১৫ শতাংশ অর্থ শেয়ার লগ্নি করা হয় এক্সচেঞ্জ ট্রেড ফান্ডের (Exchange Trade Fund) মাধ্যমে যা বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার কথা ভাবা হচ্ছে। সেটা হলে অবশ্য ইপিএফের গ্রাহকদের টাকা আরও বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
সর্বশেষ খবর
-
‘বন্ধ হওয়া সিঙ্গল স্ক্রিনগুলি খুলুক’, বাংলা সিনেমার স্বার্থে বিজেপি সরকারকে আর্জি যিশুর
-
দাউদাউ আগুনে জ্বলে উঠল বৃদ্ধাশ্রম, মৃত্যু ১১ জনের!
-
কলকাতা বন্দরে দেশবিরোধীদের মদত তৃণমূল মাফিয়াদের! গোয়েন্দা নজরদারির পথে রাজ্য সরকার
-
পুরনো ফোন বিক্রি করলে তথ্য বেহাত হবে না তো? এই সহজ পদ্ধতিতে থাকুন নিরাপদ
-
পরিবহণ বিপ্লব শুভেন্দুর, কলকাতায় প্রথম ওয়াটার মেট্রো, সাগরমালায় জুড়ল বাংলা