সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৈঠকে থাকাকালীন গাইতে হবে বন্দে মাতরম। অন্যথায় বৈঠকে থাকার অনুমতি মিলবে না কোনও সদস্যের। এমনই নিদান দিলেন মীরাটের মেয়র হরিকান্ত আলুওয়ালিয়া। গোবলয়ের শহর মীরাটের মেয়রের এমন সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পুরনিগমের মুসলিম সদস্যরা। সুপ্রিম কোর্টের রায়কে উদ্ধৃত করে তাদের বক্তব্য, বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
উত্তরপ্রদেশে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর মঙ্গলবার পুরনিগমের প্রথম বৈঠকে মেয়রের এমন নিদানে স্বভাবতই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে জানা গিয়েছে, পুরনিগমের বৈঠকে আগে থেকেই বন্দে মাতরম গাওয়ার রেওয়াজ ছিল। কিন্তু যাঁরা গাইতে অনিচ্ছুক তাঁরা বৈঠকের সভাঘর ছেড়ে বাইরে চলে যেতেন এবং গান শেষ হওয়ার পর ফিরে আসতেন। কিন্তু মঙ্গলবার ভিন্ন চিত্র দেখা যায়, যখন কিছু মুসলিম প্রতিনিধি বন্দে মাতরম গাওয়ার সময় সভাঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। বেশ কিছু বিজেপি পুরপ্রতিনিধি হইচই শুরু করে দেন এবং হুঁশিয়ারি দেন, ‘যদি ভারতে থাকতে চাও, তবে বন্দে মাতরম গাইতে হবে!’
এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে হতে শুরু করে। বচসায় জড়িয়ে পড়েন দু’পক্ষের সদস্যরা। তখন আসরে নামেন মেয়র আলুওয়ালিয়া। পরিস্থিতি সামাল দিতে ধ্বনিভোটের মাধ্যমে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করেন সব পুরপ্রতিনিধির জন্য। তবে এই প্রস্তাবে এখনও সরকারের সিলমোহর পড়েনি। কিন্তু মেয়রের যুক্তি, ‘মাতৃভূমিকে সম্মান জানানোর জন্য এটাই একমাত্র পন্থা। এর আগে মুসলিম মেয়র থাকাকালীনও বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক ছিল বৈঠেকর সময়, তাহলে এখন এত গোলমালের কী আছে?’
বস্তুত, মীরাট পুরনিগমে ৮০টি আসনের মধ্যে বিজেপি প্রতিনিধি রয়েছে ৪৫ জন এবং মুসলিম সদস্য ৩৫ জন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে পুরপ্রতিনিধি দিওয়ান শরিফ জানিয়েছেন, ‘আমাদের পূর্বপুরুষরাও দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন। কিন্তু এমন ব্যবহার অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যে এবার বুলেট ট্রেন, দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পৌঁছবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়, বড় আশ্বাস রেলমন্ত্রীর
-
জল্পনার অবসান! বিশ্বকাপ শুরুর পাঁচ দিন আগে ইরানকে ভিসা মঞ্জুর আমেরিকার
-
ইবোলা পরিসংখ্যানে আশার আলো কঙ্গোতে! বিপদ কাটেনি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা
-
‘রেল মানচিত্রে জুড়বে গোটা বাংলা’, নবান্নে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ শুভেন্দুর
-
উচ্ছিষ্ট ফুল থেকেই তৈরি হবে ধূপবাতি! রাজ্যের উদ্যোগে আশার আলো তারাপীঠ-সহ বীরভূমের বিভিন্ন মন্দিরে