Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
গুপ্তচরবৃত্তি

বই চুরির দায়ে ধৃত প্রাক্তন সেনা আধিকারিক, উঠছে চরবৃত্তিরও অভিযোগ

অসৎ আচরণের জন্য ধৃতকে ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০১৯, ১৯:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০১৯, ১৯:২১

options
link
বই চুরির দায়ে ধৃত প্রাক্তন সেনা আধিকারিক, উঠছে চরবৃত্তিরও অভিযোগ zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিভিন্ন সময় নানা সংস্থার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ছিল। অসৎ আচরণের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে তাকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল। অবশেষে ৬৪ বছর বয়সে বই চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল সেই ব্যক্তি। ধৃতের নাম মুকেশ অরোরা বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার রাতে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এলাকার মানেকশ সেন্টার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সেনা। পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ধৃত ব্যক্তি কানাডার নাগরিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমেরিকারও নাগরিক। ওই ব্যক্তি যখনই ভারতে আসত তখনই দিল্লির বসন্তকুঞ্জ এলাকায় থাকত বলে খবর।

[আরও পড়ুন: অ্যাম্বুল্যান্স দেয়নি হাসপাতাল, ঠেলাগাড়িতে আত্মীয়ের মৃতদেহ বইলেন আদিবাসী দম্পতি]

দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে মানেকশ সেন্টারের লাইব্রেরিতে গিয়েছিল ধৃত মুকেশ। ভিতরে ঢোকার সময় নিজেকে ভারতীয় সেনার কর্নেল বলে পরিচয়ও দিয়েছিল। কিছুক্ষণ বাদে লাইব্রেরি থেকে বেরোনোর সময় আটটি বই সমেত হাতেনাতে ধরা পড়ে। ওই বইগুলি সে লাইব্রেরি থেকে চুরি করেছে বলে জানা যায়। ভারতীয় সেনা তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তারপর থেকে পুলিশ হেফাজতেই রয়েছে ওই প্রাক্তন সেনা আধিকারিক। ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন সংস্থার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। তাই তার নামে চুরি ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখা ও বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার আধিকারিকরা ধৃত ব্যক্তিকে জেরা করে বই চুরির পিছনের রহস্য জানতে চাইছেন। ধৃত শুধু বই চুরিই করেছে, না লাইব্রেরিতে ঢুকে কোনও গোপন খবর জানার চেষ্টা করছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পরিষেবার বদলে অ্যাকাউন্টে জমবে সময়, দেশে চালু হতে চলেছে ‘টাইম ব‌্যাংক’]

এপ্রসঙ্গে দিল্লি ক্যান্টেনমেন্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনস্পেক্টর সমীর শ্রীবাস্তব বলেন, ‘এই মুহূর্তে এই বিষয়ে বেশি কিছু বলা খুবই শক্ত। ধৃত ব্যক্তিকে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জেরা করছেন। তবে এখনও পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ হলেই এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব হবে।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.