Advertisement
Advertisement
নাগরিকদের উপর থেকে করের বোঝা কমানোর আবেদন প্রধান বিচারপতির

নাগরিকদের উপর থেকে করের বোঝা কমানোর পরামর্শ প্রধান বিচারপতির

কর ফাঁকি প্রসঙ্গেও মুখ খুললেন এসএ বোবদে।

Excessive tax is social injustice by government: CJI SA Bobde

ফাইল ফটো

Published by: Paramita Paul
  • Posted:January 24, 2020 9:04 pm
  • Updated:January 24, 2020 9:04 pm

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নুন আ্নতে পান্তা ফুরনোর দশা দেশবাসীর। গোদের উপর বিষ ফোঁড়া আবার মুদ্রাস্ফীতি। আর তাই কর ছাড় পাওয়ার আশায় কেন্দ্রীয় বাজেটের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে নাগরিকদের উপর থেকে করের বোঝা কমানোর পরামর্শ দিলেন দেশের প্রধান বিচারপিত এসএ বোবদে। ১ ফ্রেবুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ। তার আগে শুক্রবার দেশের কর ব্যবস্থা নিয়ে মুখ খুললেন প্রধান বিচারপতি।

শুক্রবার ছিল আয়কর আপিল ট্রাইবুন্যালের ৭৯-তম প্রতিষ্ঠা দিবস। দিল্লিতে সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে। সেখানে তিনি কেন্দ্র সরকারের কাছে নাগরিকদের উপর করের বোঝা কমানোর পাশাপাশি দেশের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নের আবেদন করেন। এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আয়কর বাড়িয়ে দিলে নাগরিকদের উপর অবিচার করা হয়। আম জনতার কাছ থেকে বেশি পরিমাণ আয়কর আদায় করার অর্থ জনগণের সামাজিক অধিকারকে খর্ব করা। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত জনগণের উপর থেকে অতিরিক্ত করের বোঝা কমিয়ে দেওয়া।” এদিন প্রধান বিচারপতি কর ফাঁকি প্রসঙ্গে মুখ খোলেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘‘কর ফাঁকি দেওয়া সহনাগরিকদের প্রতি অন্যায়। ঠিক তেমনই স্বেচ্ছাচারী বা অতিরিক্ত কর চাপিয়ে দেওয়া সরকারের সামাজিক অন্যায়।”

Advertisement

[আরও পড়ুন :সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে নয়া ইমোজি টুইটারে, উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ]

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ১ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করে কেন্দ্র সরকার। সেসময় আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা দ্বিগুণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ায় অর্থমন্ত্রক। এর আগে আয়করের ঊর্ধসীমা ছিল আড়াই লক্ষ। শুধু এটাই নয়। পিএফ পাওয়া কর্মীদের জন্য বিশেষ ছাড়। সেসময় জানানো হয়, বার্ষিক আয় ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হলে কোনও আয়কর দিতে হবে না তাদের। তবে ৭ লক্ষ টাকা বার্ষিক আয় হলে আগের নিয়মই বলবৎ থাকবে। শুধু তাই নয়, করযুক্ত আয়ের পরিমাণ ৪০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। ব্যাংক ও পোস্টঅফিসে প্রাপ্ত সুদের পরিমাণে ১০ হাজার টাকা হলেই আগে টিডিএস কাটা হত। সেই পরিমাণ ১০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। ঘরভাড়ার ক্ষেত্রেও টিডিএস-এর ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানো হয়েছে। বছরে এক লক্ষ ৮০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২ লক্ষ ৪০ হাজার করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যেকমাসে বাড়িভাড়া ২০ হাজার টাকার বেশি হলে তবেই টিডিএস কাটা হবে। কিন্তু সেইসময়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক আর্থিক পরিস্থিতির পার্থক্য রয়েছে। ফলে এবার কেন্দ্রীয় বাজেটে কেন্দ্র কী ঘোষণা করে, তার দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ।

Advertisement

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ