Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Delhi Blast

বই পোকা থেকে ফিদায়েঁ জঙ্গি! ঘরের ছেলে উমরের ভোল বদলে স্তম্ভিত পুলওয়ামার পরিবার

'পরিবারের দারিদ্র ঘোচাবে', ছেলেকে নিয়ে আশায় ছিলেন উমরের মা ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১৩:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১৩:০৬

options
link
বই পোকা থেকে ফিদায়েঁ জঙ্গি! ঘরের ছেলে উমরের ভোল বদলে স্তম্ভিত পুলওয়ামার পরিবার zoom
বিস্ফোরণের মূল পাণ্ডা উমর এবং তাঁর বউদি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বইয়ের পোকা থেকে ফিদায়েঁ জঙ্গি! ঘরের ছেলের এমন ভোল বদল মানতে পারছেন না উমর মহম্মদের পরিবারের সদস্যরা। দিল্লি বিস্ফোরণে দেওরের নাম জড়ানোয় আকাশ থেকে পড়ছেন উমরের বউদি। স্তম্ভিত পরিবারের অন্যান্যরাও। তাঁদের মতে, পরিবারের একমাত্র আশার আলো ছিলেন উমর। এখন তাঁদের সঙ্গী একরাশ হতাশা।

প্রাথমিকভাবে অনুমান, দিল্লিজুড়ে সোমবার ব্যাপক ধরপাকড়ের জেরে খানিকটা আতঙ্কিত হয়েই সন্ধেয় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। দিল্লিতে যে গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেই গাড়ির বর্তমান মালিক উমর মহম্মদ। তার ছবি ধরা পড়েছে সিসিটিভি ফুটেজে। জানা গিয়েছে, সুনহেরি মসজিদ থেকে লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত গাড়িটি চালিয়ে এনে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। গাড়ির চালকের আসনে থাকা উমরের ছবি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। যদিও বিস্ফোরণের ঠিক আগের মুহূর্তে দেখা যায়, গাড়ির চালকের আসনে মাস্ক পরা এক ব্যক্তি রয়েছেন।

Advertisement

মাঝপথে উমর নেমে গিয়ে অন্য কেউ চালকের আসনে বসেছিল কিনা, তা স্পষ্ট নয়। ফলে দিল্লির বিস্ফোরণে উমরের মৃত্যু হয়েছে একথাও স্পষ্ট করে বলা যায় না। তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন, দুই সঙ্গীকে নিয়ে আত্মঘাতী হামলার ছক ছিল উমরের। তদন্তকারীরা মনে করছেন, সোমবার রাজধানীর একাধিক এলাকায় বিপুল পরিমাণে আরডিএক্স উদ্ধার হওয়া এবং সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারিতে ভয় পেয়ে গিয়ে তড়িঘড়ি বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে উমর।

তবে দিল্লি বিস্ফোরণে উমরের নাম জড়ানোয় বিপর্যস্ত তাঁর পরিবার। পুলওয়ামার কইল গ্রামের বাসিন্দা উমরের বউদি বলছেন, “গত শুক্রবারই ওর সঙ্গে কথা হল। তখন বলল সামনে পরীক্ষা আছে তাই লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করছে। একেবারে বইয়ের পোকা ছিল। বাড়িতে ফিরলেও সকলকে পড়াশোনা করতে বলত। সেই ছেলের এমন কাণ্ড শুনে আমরা স্তম্ভিত।” তিনি জানান, কঠিন পরিশ্রম করে পরিবারের দারিদ্র্য ঘোচানোর চেষ্টা করছিলেন উমরের মা। হাল ফেরাতে আশার আলো ছিল উমর। কিন্তু সেই বই পোকা ছেলেই নাশকতার সঙ্গে জড়িয়েছে, হতাশ গোটা পরিবার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.