৭ ফাল্গুন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে এখন উত্তাল গোটা দেশ। বুধবারই সুপ্রিম কোর্টে CAA নিয়ে ১৪৪টি মামলার শুনানি হওয়ার কথা। এর মাঝে এই আইনের সমর্থনে কথা গিয়ে বেঁফাস মন্তব্য করলেন এক বিজেপি নেতা। অভিযোগ, মুসলিমদের সরাসরি ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলেছেন কর্ণাটকের বিজেপি বিধায়ক এম পি রেণুকাচার্য। সেই সঙ্গে এমন অভিযোগও তুলেছেন, তারা নাকি মসজিদে অস্ত্র লুকিয়ে রাখে।

সম্প্রতি CAA’র সমর্থনে একটি মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন রেণুকাচার্য। সেখানেই তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। বলেন, “কিছু বিশ্বাসঘাতক রয়েছে। তারা মসজিদে যায় এবং ফতোয়া লেখে। প্রার্থনার নামে তারা মসজিদের ভিতর অস্ত্র সংগ্রহ করে। এই কারণেই আপনারা মসজিদে যান? আপনারা আমাদের ছেলেদের মেরেছেন। ওরা গোহত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল। এরপরও আশা করেন আমরা চুপ করে থাকব? অসম্ভব।” এখানেই থামেননি রেণুকাচার্য। এরপর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে একহাত নেন তিনি। জানান, কংগ্রেস ও ডেজিএস কর্মীদের কাছে আজ কোনও চাকরি নেই। মানুষ এখন আর রাজনৈতিক মিটিংয়ে অংশ নেয় না। ইয়েদুরাপ্পা-সহ একাধিক নেতাদের তিনি বলেন, “আপনারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সমর্থন করেন আর মোদিজিকে উপহাস করেন। আপনারা আশা করেন আমরা চুপ থাকব? মোদিজি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর কোনও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়নি। সবাই শান্তিতে আছে।”

[ আরও পড়ুন: আজ CAA নিয়ে ১৪৪টি মামলার শুনানি, দেশের নজর সুপ্রিম কোর্টে ]

কর্ণাটকের বিজেপি বিধায়কের এই মন্তব্যের পর বিক্ষোভ শুরু হয়েছে রাজ্যজুড়ে। বিতর্ক ছড়িয়েছে নেটদুনিয়াতেও। এরপরই নড়চড়ে বসেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। জি মধুসূদন জানিয়েছেন, রেণুকাচার্যের বক্তব্য তাঁরা খতিয়ে দেখবেন। শুরু হবে তদন্ত। যদি ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয় তবে বিধায়কের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, CAA সমর্থনে কথা বলতে গিয়ে এরাজ্যেও বেফাঁস মন্তব্য করছেন দিলীপ ঘোষ। সম্প্রতি তিনি বলেন, যারা সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করছে, তাদের গুলি করে মারা উচিত। অসম এবং উত্তর প্রদেশে এই ভাবেই নাকি আন্দোলন দমন করা হয়েছে। এবার সেই রাস্তাতেই হাঁটলেন রেণুকাচার্য। 

[ আরও পড়ুন: জুন থেকেই চালু ‘এক দেশ, এক রেশন কার্ড’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং