৮ ফাল্গুন  ১৪২৬  শুক্রবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) নিয়ে আজ, বুধবার মোট ১৪৪টি মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চে এদিন শুনানি হবে। দেশজুড়ে যখন CAA বিরোধিতায় প্রতিবাদ-বিক্ষোভ চলছে, তখন বুধবার রাজনৈতিক মহলের নজর শীর্ষ আদালতের দিকে।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বেঞ্চে থাকছেন বিচারপতি এস আবদুল নাজির ও বিচারপতি সঞ্জীব খন্না। তাঁরাই আবেদনগুলি শুনবেন। জানা গিয়েছে, দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সিএএ নিয়ে আবেদন জমা পড়ে। ১৪৪টি মধ্যে তৃণমূল, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ ও কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের দায়ের করা মামলাও রয়েছে। বেশিরভাগ আবেদনেই সিএএ’র সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: জুন থেকেই চালু ‘এক দেশ, এক রেশন কার্ড’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর]

গত বছর ১২ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আইনে পরিণত হয়। আইন অনুযায়ী, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত অমুসলিম অর্থাৎ হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, পারসি, ও খ্রিস্টানদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু নাগরিকত্ব প্রদানের সঙ্গে ধর্মকে যুক্ত করাতেই প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে দেশজুড়ে। যদিও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এই আইন মুসলিম বিরোধী নয়। তাই দুশ্চিন্তার কোনও প্রয়োজন নেই। তবে সেই আশ্বাসেও কাজ হয়নি। কলকাতার পার্ক সার্কাস থেকে দিল্লি শাহিনবাগ, সর্বত্রই চলছে বিরোধিতা। এমন পরিস্থিতিতে মামলার শুনানির দিকে নজর গোটা দেশের।

গত ১৮ ডিসেম্বরে প্রথমবার নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আদালতে আবেদন জমা পড়ে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রকে নোটিস দেয় সুপ্রিম কোর্ট। অ্যাটর্নি জেনারেলকেও এ বিষয়ে অবগত করা হয়। তারপর একে একে সিএএ বিরোধী মামলার আবেদনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এদিন সেই সব মামলার শুনানি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যের বিরোধী দলগুলি বিধানসভার অভ্যন্তরে সিএএ বাতিলের প্রস্তাব পাশ করিয়েছে। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, আগামী ২৭ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাই সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি কোন দিকে এগোয়, তা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বিরোধিতার মামলা খারিজ হলে আবেদনকারীদের কোনও লাভ হবে না। তাই দেখার, আজ শীর্ষ আদালতে CAA সমর্থনে সরকার পক্ষের বক্তব্য কী হয়।

[আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতা থাকলে আমার সঙ্গে বিতর্কে আসুন’, রাহুল-মমতাকে চ্যালেঞ্জ অমিতের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং