ভারতের মাটিতে ওরাংওটান! ওড়িশার বালাসোর জেলা থেকে উদ্ধার ৫টি ওরাংওটান শাবককে ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য। প্রসঙ্গত, এদেশে তো বটেই, এমনকী কোনও প্রতিবেশী দেশেও এই বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীটির দেখা মেলে না। প্রধানত ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও ও সুমাত্রা দ্বীপের রেনফরেস্ট বা গভীর বনের উঁচু গাছে এদের দেখা যায়। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এই প্রাণীগুলি তবে এখানে কোথা থেকে এল!
গতকাল, মঙ্গলবার ওড়িশা বন দপ্তরের কর্মীরা ওই ওরাংওটান শাবকগুলিকে উদ্ধার করেন। উদয়পুর-তালসারির বনাঞ্চলে এদের খেলা করতে দেখা যায়। পাঁচটি শাবকের মধ্যে তিনটি পুরুষ ও দু’টি মাদী। বয়স ৬ মাস থেকে একবছরের মধ্যে।
আরও পড়ুন:
বন আধিকারিক প্রকাশচাঁদ গগিনেনি এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে জানিয়েছেন, ”আমরা সব ক’টিকেই উদ্ধার করেছি।” তাঁর সন্দেহ, কোনওভাবে চোরাচালান করার সময়ই এরা এখানে চলে আসে। কোন চক্র এর নেপথ্যে সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশা, শিগগিরি এই বিষয়ে আলো ফেলা সম্ভব হবে। ওড়িশার বন ও পরিবেশ মন্ত্রী গণেশ রাম সিংখুন্তিয়ার নির্দেশে ইতিমধ্যে একটি প্রতিনিধি দল বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখছে।
বলে রাখা ভালো, বর্তমানে ওরাংওটান মূলত তিনটি প্রজাতিতে বিভক্ত—বোর্নিয়ান, সুমাত্রান এবং টাপানুলি। তিনটি প্রজাতিকেই আইইউসিএন অত্যন্ত সংকটাপন্ন বা বিপন্ন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। অত্যন্ত বুদ্ধিমান এই প্রাণীগুলি সাধারণত দলবদ্ধভাবে থাকে না। বরং তাদের ধীরস্থির ও একাই ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। পোষ্য প্রাণী হিসেবে এদের বিপুল চাহিদার কারণে অবৈধ বন্যপ্রাণীর চোরাচালানকারীরা ওরাংওটান পাচার করতে চায়। এর ফলে এদের বিপন্নতা আরও বাড়ছে। এহেন পরিস্থিতিতে ওড়িশায় উদ্ধার ওরাংওটানগুলির এদেশে ঢুকে পড়ার নেপথ্যে কারা, সেটাই খতিয়ে দেখা হবে বলে প্রশাসনিক স্তরে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সুমিত রায়ের অ্যাকাউন্টে ১৫ কোটি! অভিষেকের আপ্তসহায়ককে নিয়ে আদালতে বিস্ফোরক দাবি রাজ্যের
-
‘ভাগোড়া বলবেন না’, ফের কেন্দ্রকে ‘বুড়ো আঙুল’ দেখিয়ে মালিয়ার দাবি, ‘বকেয়ার দ্বিগুণ শোধ করেছি’
-
‘কাজ করতে পারছিলাম না’, ইংরেজবাজারের পুরপ্রধান পদে ইস্তফা দিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর
-
হরমুজে ইরানের জালে আমেরিকার অত্যাধুনিক সাবমেরিন! ‘মুখ বাঁচাতে’ কী বলছে ওয়াশিংটন?
-
‘দৃশ্যম ৩’-এ ভয়ানক ষড়যন্ত্রে বিদ্ধ ‘সালগাঁওকর’, জোড়া এন্ট্রিতে বাড়ছে হৃদস্পন্দন, ২ অক্টোবরই যবনিকা পতন!