অদূর ভবিষ্যতে যে তিনি ভারতে ফিরবেন না, সেটা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন পলাতক ঋণখেলাপি বিজয় মালিয়া। তাঁর দাবি, তিনি পলাতকও নন, ঋণখেলাপিও নন। ভারত সরকার তাঁর বিরুদ্ধে অন্যায় করেছে। মালিয়ার (Vijay Mallya) প্রশ্ন, যে পরিমাণ অর্থ বকেয়া রয়েছে, চেয়ে অনেক বেশি টাকা উশুল করে নিয়েছে ভারতের এজেন্সিগুলি। তা সত্ত্বেও তাঁর নামের পাশে ‘ভাগোড়া’ অর্থাৎ ‘পলাতক’ তকমা কেন বসানো হবে?
For all who say I am a bhagoda refusing to come to India, please be aware that I have been a permanent resident of the United Kingdom since 1992 and am currently legally prohibited from leaving this country. All this started with poster boy actions by the Government of India who…
Advertisement— Vijay Mallya (@TheVijayMallya) September 8, 2026
‘কিংফিশার’ বিমানসংস্থার মালিক ছিলেন মালিয়া। ১৭টি ভারতীয় ব্যাঙ্ক থেকে কিংফিশার এয়ারলাইন্সের জন্য প্রায় ন’হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই টাকা মেটাতে না পারায় ২০১৬-র মার্চ মাসেই দেশ ছাড়েন কিংফিশার কর্তা। এর পরেই তাঁকে পলাতক ঘোষণা করা হয়। পরে ২০১৭ সালের ১৮ এপ্রিল লন্ডনে গ্রেপ্তারও হন মালিয়া। ভারতে ঋণখেলাপ-সহ একাধিক মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড। কিন্তু গ্রেপ্তারির তিন ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই জামিনে মুক্তি পেয়ে যান তিনি। মালিয়াকে দেশে ফেরানোর জন্য ভারত দীর্ঘ দিন ধরে চেষ্টা চালালেও এখনও কোনও সুরাহা হয়নি।
আরও পড়ুন:
তবে মালিয়ার দাবি, তিনি ভাগোড়াও নন, তিনি ঋণখেলাপিও নন। ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলির কাছে তাঁর যে পরিমাণ দেনা, সেটার তুলনায় অনেক বেশি টাকা তাঁর সম্পত্তি বেচে উদ্ধার করেছে ভারতের বিভিন্ন সংস্থা। তা সত্ত্বেও অন্যায়ভাবে তাঁকে ঋণখেলাপি বলা হচ্ছে। সোশাল মিডিয়ায় মালিয়া বলছেন,” ভারত সরকার আমাকে দুর্নীতির পোস্টার বয় বানিয়েছে। সেসবের জেরেই আমার প্রতি এই অবিচার।’ সোশাল মিডিয়ায় একটি নথিও পোস্ট করেছেন মালিয়া। ওই নথিটি বম্বে হাই কোর্টে ইডির দেওয়া হলফনামা বলে দাবি মালিয়ার। ওই হলফনামায় ২০২১ সালে ইডি বম্বে হাই কোর্টে জানিয়েছে, কিংফিশার এয়ারলাইন্স ৬২০৩ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছিল ব্যাঙ্ক থেকে। সেটার প্রেক্ষিতে ১৪১৩১.৬০ কোটি টাকা উদ্ধার করা গিয়েছে।’
To all who believe in fair and proper accounting justice please see the following table. Do I still deserve the way I am berated by the media and referred to as a fraudster at the very outset of a journalist’s script ? Why not start asking when I will get my refund ? pic.twitter.com/oP80Ba5Nuw
— Vijay Mallya (@TheVijayMallya) September 8, 2026
বিজয়ের প্রশ্ন, ঋণের দ্বিগুণেরও বেশি টাকা তুলে নেওয়ার পরও কেন তাঁকে পলাতক বা ঋণখেলাপি বলা হবে? প্রশ্ন হল, মালিয়ার দাবি যদি সত্যিই হয়, তাহলে তিনি কেন ভারতের আদালতে এসে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা লড়ছেন না? তাতে পলাতক ব্যবসায়ীর দাবি, তিনি ১৯৯২ সাল থেকেই ব্রিটেনের নাগরিক। এই মুহূর্তে একটি মামলার জন্য আইনত তাঁর ব্রিটেনের বাইরে যাওয়া মানা। তাই কোনওভাবেই ব্রিটেন তিনি ছাড়বেন না। অর্থাৎ ভারতের প্রত্যর্পণের চেষ্টায় কোনও ফল হবে না বলেই দাবি তাঁর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
আন্দোলনে উপচে পড়ছে নতুন প্রজন্মের ভিড়, তবু সিপিএমে বাড়ছে না সদস্য!
-
সিপিএম-আরএসপি দ্বন্দ্ব চরমে! চূড়ান্ত হলো না দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রার্থী
-
‘নিখোঁজ’ বিডিও কীভাবে পাচ্ছেন বেতন? প্রশান্ত বর্মনের মামলায় সিআইডিকে ‘ভর্ৎসনা’ হাই কোর্টের
-
তসলিমার বক্তৃতা নিয়ে প্রশ্ন স্কুলের পরীক্ষায়! ‘লেখাকে অত সহজে নির্বাসিত করা যায় না’, খোঁচা লেখিকার
-
মণ্ডপের বদলে এবার গঙ্গাতেই প্রতিমা নিরঞ্জন, বিতর্ক কাটিয়ে এবার থিমে কোন চমক দেবে টালা প্রত্যয়?