Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
Vijaypat Singhania

একসময় আম্বানি-আদানিকেও টেক্কা, শেষজীবনে ভাড়াবাড়িতে দিনযাপন, প্রয়াত রেমন্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান

ব্যবসার পাশাপাশি নামী পাইলটও ছিলেন বিজয়পত সিংহানিয়া, তাঁর প্রয়াণে শোকগ্রস্ত ব্যবসায়ী মহল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১৪:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১৪:৪৪

options
link
একসময় আম্বানি-আদানিকেও টেক্কা, শেষজীবনে ভাড়াবাড়িতে দিনযাপন, প্রয়াত রেমন্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান zoom
বিজয়পত সিংহানিয়া, ফাইল ছবি।

প্রয়াত বিশিষ্ট শিল্পপতি বিজয়পত সিংহানিয়া (Vijaypat Singhania)। শনিবার ৮৭ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন রেমন্ড গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান। তাঁর মৃত্যুসংবাদ জানিয়েছেন ছেলে গৌতম সিংহানিয়া। বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। রবিবার দুপুরে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

বিজয়পতের জন্ম ১৯৪৩ সালের ৪ অক্টোবর। ছোটবেলা থেকেই পারিবারিক কলহের মধ্যে বড় হয়েছেন তিনি। ১৯৪৪ সালে ইডি সাসুন অ্যান্ড কোম্পানির হাত থেকে রেমন্ড কিনেছিলেন বিজয়পতের বাবা এলকে সিংহানিয়া। সেই সম্পত্তি আবার একসময় দখল করার চেষ্টা করেন তাঁর কাকা গোপাল কৃষ্ণ সিংহানিয়া। আইনি জটিলতার পর ১৯৮০ সালে রেমন্ড গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান পদে বসেন বিজয়পত। ১৯৮০ সালে থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত, সমগ্র রেমন্ড সাম্রাজ্যের প্রধান ছিলেন বিজয়পত। শুধুমাত্র কাপড় প্রস্তুতকারক থেকে তিনি ব্যবসাকে কৃত্রিম কাপড়, ডেনিম, ইস্পাত, ফাইল এবং সিমেন্ট উৎপাদনকারীতে পরিণত করেছিলেন। অনিল অম্বানি, মুকেশ অম্বানি, গৌতম আদানি বা ভারতের অন্যান্য সুপরিচিত ধনকুবেরদের চেয়েও ধনী ছিলেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০০০ সালে ছেলে গৌতম সিংহানিয়াকে নিজের পুরো সম্পত্তিই লিখে দেন তিনি। কিন্তু তারপরই ছেলের সঙ্গে বিবাদ শুরু। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে একসময় বাড়ি ছেড়ে মুম্বইয়ের গ্র্যান্ড পারাডি সোসাইটিতে একটি ভাড়াবাড়িতে উঠে যেতে হয় তাঁকে। সেসময় আভিজাত্য বজায় রাখতে রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। শেষে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০১৫ থেকে ২০২৪ প্রায় ৯ বছর ছেলের সঙ্গে আইনি লড়াই চলে। তবে ২৪-এ সবটা মিটমাট হয়ে যায়। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত ছেলের সঙ্গেই ছিলেন তিনি।

ব্যবসার পাশাপাশি নামী পাইলটও ছিলেন বিজয়পত। আকাশপথে একাধিক রেকর্ডেরও মালিক তিনি। ২০০৬ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী দেওয়া হয়। তাঁর প্রয়াণে শোকবিহ্বল ঘনিষ্ঠ মহল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.