আল কায়দার নজরে ‘শহিদ’, সংসদেও তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ! ধুরন্ধরের আতিফ আহমেদের আসল রূপ চমকে দেবে
প্রকাশ্যে ক্যামেরায় এনকাউন্টার, কত টাকার সম্পত্তি এই গ্যাংস্টারের? সত্যিই কি ধুরন্ধরের ভিলেনের মতো ছিল তাঁর জীবন?
ওই ছবিতে আতিককে ভয়ংকর অপরাধী হিসাবে দেখানো হয়েছে। যিনি ওতপ্রোত ভাবে জড়িত রাজনীতির সঙ্গেও। আতিককে ওই ছবিতে অসীম ক্ষমতাশালী হিসাবে দেখানো হয়েছে। তবে ওই চরিত্রের সঙ্গে গ্যাংস্টার আতিফের মিল থাকলেও আইনি জটিলতা এড়াতে নামটি বদলে দেওয়া হয়েছে। তবে ছবিতে যে আতিফকে দেখানো হয়েছে, সেই আতিফের সঙ্গে আতিক আহমেদের কার্যকলাপের অনেক মিল পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন:
প্রশ্ন হল কে এই আতিফ আহমেদ? সত্যিই কি আতিক আহমেদের সঙ্গে মিল রয়েছে পর্দার আতিকের? ধুরন্ধরের ভক্তরা বলছেন, আলবাত আছে। আর আতিকের পরিবার বলছে, আতিককে সিনেমায় যেভাবে দেখানো হয়েছে অনেকাংশেই সেটিকে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে। এবং সময় সরণি বজায় না রেখে ভুল সময়ে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এমন কিছু অভিযোগ করা হয়েছে, যা সত্যি নয়। এবং বাস্তব প্রমাণের ভিত্তিও নেই।
প্রকাশ্যে ক্যামেরায় হত্যালীলার চালানো হয়। পুলিশের সামনেই ১২টি বুলেটে আতিক আহমেদ ও তাঁর ভাই আশরফের ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়ার ঘটনায় শিউরে ওঠে গোটা দেশ। তিন হত্যাকারী লভলেশ, মোহিত ও অরুণ পুলিশি জেরার মুখে জানায়, তারা সাংবাদিক সেজেই সেখানে প্রবেশ করেছিল। আর সেই ছদ্মবেশ ধরার আগে রীতিমতো প্রশিক্ষণ নিয়েছিল আততায়ীরা।
আরও পড়ুন:
উত্তরপ্রদেশ পুলিশের প্রাক্তন আধিকারিক বিক্রম সিং সম্প্রতি দাবি করেছেন, অতীকের গ্যাং ‘আইএস-২৭৭’ নামেও পরিচিত ছিল। ড্রাগসের কারবার, পাকিস্তান থেকে অস্ত্র পাচারের মতো গুরুতর অপরাধে যুক্ত ছিলেন তিনি। এমনকী তাঁর এলাকায় আইনের শাসন চলত না, আতিকের শাসন চলত। তিনিই ছিলেন সব। যদিও পরে সেই দাপট অনেকটাই খর্ব হয়ে যায় তাঁর।
শোনা যায়, আতিকের বেশ কিছু আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল। আইএসআই, লস্কর-ই-তইবার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তাঁর। এমনকী আতিককে প্রকাশ্যে গুলি করে মারার পর লস্করের তরফে একটি 'নিজেদের প্রচার পুস্তিকা'য় বলা হয়, আতিক আসল 'শহিদ'। তাঁর মৃত্যুর বদলা নেওয়া হবে। যদিও আতিকের সঙ্গে জঙ্গি যোগের বিশেষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মজার কথা হল, প্রাক্তন সাংসদ হওয়ার দরুন আতিক আহমেদের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করা হয় সংসদেও।
১৯৮৯ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন আতিক। সেবার নির্দল প্রার্থী হিসাবেই এলাহাবাদ পশ্চিম আসনে জেতেন। ১৯৯১ এবং ১৯৯৩ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনেও জেতেন তিনি। ১৯৯৬ সালে মুলায়ম সিং যাদবের হাত ধরে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ আতিকের। পরে আবার যোগ দেন বিজেপির শরিক দল আপনা দলে। ২০০৪ সালে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় চমক। যে ফুলপুর আসনে একসময় জওহরলাল নেহেরু বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিতরা সাংসদ হতেন, সেখান থেকেই সমাজবাদী পার্টির...
২০১০ সালের পর ধীরে ধীরে প্রভাবহীন হয়ে যান তিনি। এর মধ্যে বিএসপি নেতা রাজু পাল খুনের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। পরে আরেক বিএসপি নেতা উমেশ পালের হত্যাকাণ্ডেও নাম জড়ায় তাঁর। দীর্ঘদিন জেলে থাকতে হয়। তবে এরপরও চমক দিতে ভোলেননি। ০১৯ সালে অতীক নির্দল প্রার্থী হিসাবে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। সেবার অবশ্য হাজারেরও কম ভোট পান। পরে ২০২১ সালে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির AIMIM-এও যোগ...