Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
Goa Health Minister

অন ক্যামেরা চিকিৎসককে ধমক ও সাসপেন্ড! বিতর্কের মুখে ক্ষমাপ্রার্থী গোয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিতর্কের মুখে চিকিৎসককে সাসপেন্ড করা হচ্ছে না বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৫, ১৪:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৫, ১৪:০০

options
link
অন ক্যামেরা চিকিৎসককে ধমক ও সাসপেন্ড! বিতর্কের মুখে ক্ষমাপ্রার্থী গোয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী zoom
প্রকাশ্যে চিকিৎসককে ধমক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যামেরার সামনেই কড়া সুরে চিকিৎসককে ধমক ও সাসপেন্ড করেছিলেন গোয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বজিৎ রানে। এই ঘটনায় চরম বিতর্কের জেরে অবশেষে নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাইলেন তিনি। জানালেন, ‘আমার উদ্দেশ্য সঠিক ছিল, তবে যে শব্দ প্রয়োগ করেছি তা ভুল ছিল।’ অবশ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে সাসপেন্ড করলেও গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মুখ্য মেডিক্যাল অফিসার (সিএমও) ডাঃ রুদ্রেশ কুট্টিকারের উপর সে নির্দেশ কার্যকর হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গোয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী রানে বলেন, “আমি স্বীকার করছি সেদিন আমার ব্যবহার সঠিক ছিল না। আমি তাঁকে ফোন করে, কিংবা আলাদাভাবে ডেকে কথা বলতে পারতাম। আমি যদি তাঁর অনুভুতিতে আঘাত করে থাকি তবে ওই চিকিৎসক ও তাঁর পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইছি।” ক্ষমা চাইলেও একইসঙ্গে রানে বলেন, “আমি একজন রোগীর যন্ত্রণা বুঝি। আমার মা নিজে একজন ক্যানসার রোগী। তাই আমি জানি তাঁরা ঠিক কোন অবস্থার মধ্য দিয়ে যান। সেই জন্যই তাঁদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম। এই ঘটনায় কোনওরকম রাজনীতিকরন আমি চাই না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, গোটা ঘটনার সূত্রপাত গত ৭ জুন। গোয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক চিকিৎসক রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন ও তাঁর চিকিৎসা করেননি। এমন অভিযোগ পেয়ে হাসপাতালে উপস্থিত হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বজিৎ রানে। সঙ্গে ছিলেন সাকংবাদিকরা। হাসপাতালে পৌঁছেই সিএমও ডাঃ রুদ্রেশ কুট্টিকারেকে তলব করেন। এবং প্রকাশ্যে ভর্ৎসনা করেন। মন্ত্রী বলেন, “আপনি আপনার ভাষা নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন। যতই চাপ থাক রোগীর সঙ্গে ভদ্র আচরণ করা আপনার কর্তব্য।” এরপর ক্যামেরার সামনেই নির্দেশ দেন, ‘এখনই এনাকে সাসপেন্ড করলাম।’ সিএমও কিছু বলার চেষ্টা করলেও তা কানে তোলেননি তিনি। রীতিমতো দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।

সেই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই বিতর্ক চরম আকার নেয়। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়শনের গোয়া শাখা এর প্রতিবাদে সরব হয়। বলা হয়, ‘একজন চিকিৎসককে প্রকাশ্যে অপমান ও মানসিক নির্যাতন, চিকিৎসা জগতের জন্য অপমানজনক। ওই মন্ত্রীর আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ কংগ্রেসও এই ঘটনার নিন্দায় সরব হয়। এই পরিস্থিতিতে রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত। ডাঃ রুদ্রেশ কুট্টিকারকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে না বলে জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘আমি গোয়ার জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের চিকিৎসকরা নিবেদিতপ্রাণ। আমরা তাদের সম্মানের সঙ্গে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করব।’ ডামাডোলের মাঝেই এবার গোটা ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী রানে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.