সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের পরে এবার গোয়া। স্থানীয় নির্বাচনে ফের ঝড় তুলল বিজেপি। গোয়ায় জেলা পরিষদের নির্বাচনে, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ৫০টি আসনের মধ্যে ২৩টি জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেস ৯টি আসন জিতেছে। বাকি আসনগুলি আঞ্চলিক দল এবং নির্দল প্রার্থীরা জিতেছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগামিদিনে মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তের হাত আরও শক্ত হবে গোয়ায়। এই নির্বাচনে খাতা খুলেছে আম আদমি পার্টিও। কোলবাতে একটি আসনে জিতেছে আপ প্রার্থী অ্যান্টোনিয়ো ফার্নান্ডেজ।
এই নির্বাচনে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হলেও, আগের নির্বাচনের তুলনায় তাদের আসন সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আগেরবার তারা ৩৩টি আসন জিতলেও এবার জিতেছে মাত্র ২৩ আসনে। অন্যদিকে, কংগ্রেস আগের তুলোনায় ভালো ফল করেছে। আগের নির্বাচনে তাদের আসন সংখ্যা ছিল চার। এবারের নির্বাচনে তারা নটি আসন জিতেছে।
উত্তর গোয়া এবং দক্ষিণ গোয়ার দু’টি জেলা পরিষদে নির্বাচন হয়েছে। প্রায় ছয় লক্ষ ভোটার এই নির্বাচনে ভোট দেন। উত্তর গোয়াতে ১৩ আসন জিতেছে বিজেপি। দক্ষিণ গোয়ায় তাদের দখলে ১১ আসন। অন্যদিকে দক্ষিণ গোয়াতে আট আসন জিতলেও উত্তর গোয়াতে মাত্র এক আসন জিতেছে কংগ্রেস।
এই নির্বাচনের মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টির (এমজিপি) সঙ্গে জোট করে লড়াই করে বিজেপি। অন্যদিকে কংগ্রেস গোয়া ফরোয়ার্ড পার্টির সঙ্গে মিলে ভোটে লড়ে। উত্তর গোয়ায় ৭২.৬ শতাংশ এবং দক্ষিণ গোয়ায় ৬৮.৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২০০৫ সালে প্রথমবার জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫১.২ শতাংশ ভোট পড়ে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটদান হয় ২০১৫ সালে। সেবার ৬৬.৪ শতাংশ মানুষ ভোট দেন। এবারের নির্বাচনে, ৫০টি জেলা পরিষদ আসনে মোট ২২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, বিরোধী ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ায় সহজ হয়েছে বিজেপির জয়ের রাস্তা। বিজেপি এখনও সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতাদের উপর নির্ভরশীল, এবং এই মুখগুলির মধ্যে অনেকেই দুর্নীতিগ্রস্ত।
সর্বশেষ খবর
-
‘সৃজলার বয়ফ্রেন্ড আছে, তাও তোমার সঙ্গে…’, বিছানায় রাজবীরকে ‘ফুঁসমন্তর’ নন্দিনীর, প্রেমিককে হারানোর ভয়?
-
সুযোগ পান সতীর্থকে ‘বঞ্চিত’ করে! এশিয়ান গেমসে ইতিহাস সেই মণিপুরী কন্যার
-
মধ্যরাতে গ্রেটার নয়ডায় চলন্ত এসি বাসে আগুন, ঝলসে মৃত ৯, প্রাণ বাঁচাতে ঝাঁপ বহু যাত্রীর
-
জিটি রোড ও বাসরুটে আর চলবে না টোটো! নির্দেশিকা কার্যকরে কড়া পরিবহণদপ্তর
-
পড়ুয়া-পরিকাঠামোহীন! ডিসেম্বরে আরও প্রায় ৩০০ মাদ্রাসা বন্ধ হচ্ছে বাংলায়