৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরই ‘পরিচ্ছন্নতা’ অভিযান শুরু করে দিল মোদি সরকার ২.০। শুরু হয়ে গেল বেছে বেছে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ আমলাদের বহিষ্কারের কাজ। সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের সচিব স্তরের বৈঠক ছিল। বৈঠক শেষে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল মোদি সরকার। সরিয়ে দেওয়া হল আয়কর দপ্তরের শীর্ষ ১২ জন আমলাকে। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-সহ একাধিক অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে।

[আরও পড়ুন: সচিবদের সঙ্গে বৈঠক, জীবন আরও সহজ করার বার্তা মোদির]

২০১৪ তে ক্ষমতায় আসার আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করবেন। যদিও, প্রথম পাঁচ বছরে তিনি সেই কাজটি পুরোপুরি করতে পারেননি বলেই বিরোধীদের দাবি। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, আগের কংগ্রেস সরকারের আমলে দুর্নীতি ভারতীয় গঠনতন্ত্রে শিকড়ের মতো গেড়ে বসেছে। এবার সেই শিকড়ই উপড়ে ফেলার চেষ্টা শুরু করল প্রশাসন। অনেকেই বলেন, আমলাতন্ত্রের একটা বড় অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত। সেই আমলাতন্ত্রের স্বচ্ছ্বতার কাজটাই আগে শুরু করল প্রশাসন। আয়কর দপ্তর থেকে শুরু হল ছাঁটাইয়ের কাজ।

[আরও পড়ুন: রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রিপোর্ট রাজ্যপালের, বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও]

আয়কর দপ্তরের ১২ আমলাকে বাধ্যতামূলক অবসরের নির্দেশ দেওয়া হল। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক গুরুতর অভিযোগ। যাদের ছাঁটাই করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই চিফ কমিশনার, হেড কমিশনার বা কমিশনার পদমর্যাদার। এদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ, তোলাবাজি এমনকী শ্লীলতাহানির মতো অভিযোগও রয়েছে। এদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন, জয়েন্ট কমিশরনার পদমর্যাদার আধিকারিক অশোক আগরওয়াল। রয়েছেন এস কে শ্রীবাস্তব নামে আইআরএস আধিকারিকের বিরুদ্ধে। ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে দুই মহিলার সঙ্গে অভব্য আচরণ করার অভিযোগ ছিল।  তালিকায় রয়েছে,  তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে ঘুষ এবং তোলাবাজির অভিযোগ। রয়েছেন অন্যান্য কমিশনরা পদমর্যাদার আধিকারিকরাও। আপাতত আয়কর দপ্তরে এই পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হলেও, অন্য দপ্তরেও দুর্নীতিগ্রস্তদের এভাবে সরানোর কাজ শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং