Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

অন্তঃসত্ত্বাকে নবজীবন দান করলেন রাজ্যপাল, জানেন কীভাবে?

রাজ্যপালকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তঃসত্ত্বা এবং তাঁর স্বামী৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৮, ১০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৮, ১০:৩০

options
link
অন্তঃসত্ত্বাকে নবজীবন দান করলেন রাজ্যপাল, জানেন কীভাবে? zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনীতিকরা সাধারণত আমজনতার জন্য কিছু করেন না, এমন অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়৷ কিন্তু এবার সেই অভিযোগকে মিথ্যা বলে প্রমাণ করলেন অরুণাচল প্রদেশের রাজ্যপাল৷ এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ত্রাতা হয়ে উঠলেন তিনি৷ নিজে হেলিকপ্টারে না উঠে ওই মহিলাকে হাসপাতালে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে দিলেন রাজ্যপাল।

[কুশপুতুল ও খেলনা বন্দুকেই নিরাপত্তারক্ষীদের বিভ্রান্ত করছে মাওবাদীরা]

একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তাওয়াংয়ে গিয়েছিলেন অরুণাচল প্রদেশের রাজ্যপাল বি ডি মিশ্র। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খাণ্ডু-সহ অন্য বিধায়কেরা। হঠাৎই মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের এক বিধায়কের কথোপকথন কানে আসে রাজ্যপালের। তিনি জানতে পারেন, স্থানীয় সন্তানসম্ভবা মহিলার অত্যন্ত শরীর খারাপ৷ তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন তাঁকে। সড়কপথে তাওয়াং থেকে গুয়াহাটিতে যেতে সময় লাগে প্রায় ১৫ ঘণ্টা। সে কারণে তাঁকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জরুরি। কিন্তু, ওইদিন তাওয়াং থেকে গুয়াহাটির হেলিকপ্টার পরিষেবা বন্ধ থাকার কথা। ফলে রীতিমতো বিপাকে পড়েছেন মহিলা। আকাশপথে ইটানগরের হাসপাতালে নিয়ে গেলেই হয় তো বাঁচতে পারে মহিলা ও তাঁর গর্ভস্থ সন্তানের প্রাণ৷ এই বিপত্তির কথা শুনে ভাবনাচিন্তার পর সাহায্যের জন্য এগিয়ে যান রাজ্যপাল। জানান, নিজের হেলিকপ্টারে করে ইটানগরের হাসপাতালে ওই মহিলা এবং তাঁর স্বামীকে পৌঁছে দিতে পারেন তিনি। হেলিকপ্টারে জায়গার অভাব থাকায় নিজের সঙ্গে সফররত দুই আধিকারিককেও তাওয়াং থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন রাজ্যপাল।

Advertisement

[ভগৎ সিং জঙ্গি, জম্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে]

রাজ্যপালের সঙ্গেই ইটানগরে যান ওই দম্পতি। কিন্তু মাঝরাস্তায় হেলিকপ্টারে সমস্যা দেখা দেয়৷ তাই তেজপুরে ভারতীয় বায়ুসেনার থেকে চপারের আবেদন করেন রাজ্যপাল। সেই চপারে করেই ওই দম্পতিকে ইটানগরের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয়। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। আরও একটি চপারে করে নিজেও যান ইটানগরে৷ এরপর রাজভবন পৌঁছে ওই মহিলার জন্য অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থাও করে দেন তিনি। আপাতত মহিলা ও তাঁর সন্তান দুজনেই সুস্থ রয়েছে৷ রাজ্যপালের এহেন মানবিক মুখকে কুর্নিশ জানিয়েছেন ওই মহিলা এবং তাঁর স্বামী৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.