Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
রাষ্ট্রপতি শাসন

মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ রাজ্যপালের, সম্মতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

রাষ্ট্রপতি শাসন জারির নির্দেশে সই করলেন রামনাথ কোবিন্দ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০১৯, ২২:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০১৯, ২২:০৮

options
link
মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ রাজ্যপালের, সম্মতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত সত্যি হল মহারাষ্ট্রের বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা সুধীর সচিদানন্দ মুনগন্তীওয়ার কথা! মুম্বইয়ে যখন শরদ পাওয়ার আর দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধী দলের নেতৃত্বের সঙ্গে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা করছেন। শিব সেনা যখন অপেক্ষা করছে কোনওভাবে সরকারে যাওয়ার! ঠিক তখনই রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করলেন। রাজভবনের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই কথা জানানো হয়।রাজ্যপালের রিপোর্টের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাও রাষ্ট্রপতি শাসনের পক্ষে সম্মতি দিয়েছে।এবং তাতে সইও করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।ছ’মাসের জন্য মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে শিব সেনা। মঙ্গলবার বিকেলেই দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এই সংক্রান্ত পিটিশন দাখিল করে তারা।তাদের তিনদিন সময় দেওয়ার আর্জি জানায়। এবিষয়ে কংগ্রেস নেতা ও আইনজীবী কপিল সিব্বল আর অভিষেক মনু সিংভির সঙ্গে সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের ফোনে কথা হয়েছে বলেই খবর। রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সময় দেওয়ার পরেও তার আগে কীভাবে রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

[আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের মতো ঝাড়খণ্ডেও এনডিএ জোটে জট, বিজেপির সঙ্গ ছাড়ল রামবিলাসের দল]

গত ২৪ অক্টোবর মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পায়। তারপর ভোটের আগে জোট না করেও হরিয়ানায় সরকার গঠন করতে সমর্থ হয় বিজেপি। কিন্তু, মহারাষ্ট্রে ভোটের আগে জোট গড়লেও ফলাফলের পরে বদলে যায় ছবি। দুটি দল থেকেই আড়াই বছর করে মুখ্যমন্ত্রী রাখা দাবিতে সরব হয়ে ওঠে শিব সেনা। যা মানতে রাজি হয়নি বিজেপি। আর এর জেরে ৩০ বছরের সম্পর্ক ভেঙে এনডিএ জোট ছাড়ে শিব সেনা। তারপর এনসিপি ও কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করে। কিন্ত, তাও ফলপ্রসূ হয়নি। সোমবার সন্ধেয় রাজ্যপাল কোশিয়ারির সঙ্গে দেখা করেন উদ্ধবপুত্র আদিত্য ঠাকরে। কিন্তু, সরকার গঠনের জন্য শিব সেনার সঙ্গে কংগ্রেস রয়েছে কিনা তার চিঠি দেখাতে পারেননি আদিত্য।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিয়ন্ত সিংয়ের হত্যাকারী শিখ জঙ্গি রাজওয়ানার মৃত্যুদণ্ড রদ করল কেন্দ্র]

তাই তিনি বেরিয়ে যাওয়ার পরেই ফলাফলের নিরিখে তৃতীয় বৃহত্তম দল এনসিপি-কে সরকার গঠনের জন্য আহ্বান জানান রাজ্যপাল। মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার মধ্যে তাদের সরকার গঠনের সিদ্ধান্তের কথা জানাতে হবে বলে উল্লেখ করেন। রাজ্যপালের ডাক পেয়ে সরকার গঠনের জন্য তোড়জোড় শুরু করে এনসিপি। মঙ্গলবার সকাল হতেই মুম্বইয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার। দিল্লিতে বৈঠকে বসেন কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীও। আর এর মধ্যেই মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করে দেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি।

কয়েকদিন আগেই দেবেন্দ্র ফড়ণবিসের মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সুধীর মুনগন্তীওয়ার বলেছিলেন, আট নভেম্বরের মধ্যে সরকার গঠন না হলে মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে। এরপরই শিব সেনার তরফে তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়। বলা হয়, মোঘলদের মতোই সবাইকে দমিয়ে রাখতে চাইছে বিজেপি। নাম না করে দেবেন্দ্র ফড়ণবিসকে কটাক্ষ করে। বলে, কেউ কেউ মনে করছেন তাঁরা যেন সারাজীবন অন্যদের শাসন করার জন্যই জন্মেছেন। মঙ্গলবার রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের বিষয়ে রাজ্যপালের সুপারিশের কথা শোনার পরেই ওই নেতার হুঁশিয়ারি সত্যি হল বলে অভিযোগ করছে বিজেপি বিরোধীরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.