Advertisement
Advertisement
ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচন

মহারাষ্ট্রের মতো ঝাড়খণ্ডেও এনডিএ জোটে জট, বিজেপির সঙ্গ ছাড়ল রামবিলাসের দল

আসন সমঝোতা না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের সভাপতি চিরাগ পাসওয়ান।

Chirag Paswan's LJP decides to go solo on 50 seats, deserts BJP

বাবা রামবিলাসের সঙ্গে ছেলে চিরাগ

Published by: Soumya Mukherjee
  • Posted:November 12, 2019 2:33 pm
  • Updated:November 12, 2019 2:35 pm

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্ট রাম মন্দির তৈরির নির্দেশ দেওয়ার পর স্বস্তি এসেছিল গেরুয়া শিবিরে। কিন্তু, তার রেশ কাটতে না কাটতেই মহারাষ্ট্র নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। ৩০ বছরের সম্পর্ক ভেঙে জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসে শিব সেনা। বর্তমানে এনসিপি ও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের তোড়জোড় করছে তারা। ঠিক এই সময়েই ফের নতুন করে ঝটকা খেল কেন্দ্রের শাসক জোট। আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে একলা চলোর ডাক দিলেন লোক জনশক্তি পার্টি (এলজিপি) র সভাপতি চিরাগ পাসওয়ান। বিজেপি তাঁদের দাবি মতো ছটি বিধানসভা আসন ছাড়তে রাজি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তই নিলেন রামবিলাস পাসওয়ানের ছেলে। 

[আরও পড়ুন: ফের উত্তপ্ত জম্মু-কাশ্মীর, সেনার গুলিতে খতম ১ জঙ্গি]

সূত্রের খবর, গত কয়েকদিন ধরে আসন সমঝোতা নিয়ে বিজেপির সঙ্গে টানাপোড়েন চলছে এনডিএর জোট শরিক লোক জনশক্তি পার্টি ও অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়নের। বিজেপির শর্তে রাজি না হয়ে ইতিমধ্যেই অনেক আসেন নিজেদের প্রার্থী নাম ঘোষণা করেছে স্টুডেন্টস ইউনিয়ন নেতৃত্ব। আর মঙ্গলবার কেন্দ্রে জোট শরিক হওয়া সত্ত্বেও রাজ্যে একলা লড়ার কথা টুইট করে ঘোষণা করলেন বাবা রামবিলাসের জায়গায় সদ্য দলের সভাপতি পদে নিযুক্ত হওয়া চিরাগ। মঙ্গলবার তিনি টুইট করেন, ঝাড়খণ্ডের নির্বাচনে লড়াই করার বিষয় যাবতীয় সিদ্ধান্ত রাজ্য কমিটি নিয়ে থাকে। আসন্ন নির্বাচনে রাজ্যে থাকা ৫০টি বিধানসভা আসনে একাই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লোক জনশক্তি পার্টির ঝাড়খণ্ড প্রদেশ কমিটি। আজ সন্ধেবেলায় দলের প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিয়ন্ত সিংয়ের হত্যাকারী শিখ জঙ্গি রাজওয়ানার মৃত্যুদণ্ড রদ করল কেন্দ্র]

লোক জনশক্তি পার্টির কিছু নেতার দাবি, বাবা রামবিলাস পাসওয়ানের পথে হেঁটে একসঙ্গে লড়াই করতে চেয়েছিলেন চিরাগ। এর জন্য মাত্র ছটি আসনে লড়াই করতে চেয়েছিলেন তিনি। ঝাড়খণ্ডের বিজেপি নেতৃত্ব তা মানতে চায়নি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ, কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা ও ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসকে তিনি চিঠিও দেন। কিন্তু, কোনও উত্তর পাননি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই একলা লড়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দলকে। আলোচনা হলে দু-তিনটি সিট ছাড়াও যেত।

Advertisement

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা ঝাড়খণ্ডে। মোট পাঁচ দফার এই নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সরগরম হয়ে উঠেছে প্রতিবেশী এই রাজ্যটির রাজনীতি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ