Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Corona Pandemic

বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, রেমডেসিভির ইঞ্জেকশন রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা কেন্দ্রের

যতদিন না দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে ততদিন জারি থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২১, ১৯:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২১, ১৯:২৪

options
link
বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, রেমডেসিভির ইঞ্জেকশন রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা কেন্দ্রের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে করোনা সংক্রমণ (Corona Pandemic)। দৈনন্দিন আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যে এক লক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। সুস্থতার হার বাড়লেও প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে রেমডেসিভির (Remdesivir) রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা চাপাল কেন্দ্র। যতদিন না দেশে করোনা পরিস্থিতি ঠিক হচ্ছে, ততদিন জারি থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা। রবিবার এমনটাই জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জারি করা বিবৃতিতে।

তাতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, “ভারতে ফের করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। ১১ এপ্রিলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গোটা দেশে ১১.০৮ লক্ষ অ্যাকটিভ করোনা আক্রান্ত রয়েছে। আর প্রতিদিনই তা বাড়ছে। এর ফলে কোভিড রোগীদের চিকিৎসায় রেমডেসিভির ইঞ্জেকশনের চাহিদা বেড়েছে। আগামিদিনে এই ইঞ্জেকশনের চাহিদা আরও বাড়বে।” আর সেকারণেই রেমডিসিভির এবং সেটি তৈরির উপকরণ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যতদিন না দেশের করোনা পরিস্থিতি ঠিক হচ্ছে, ততদিন জারি থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা।

Advertisement

 

[আরও পড়ুন: বিশেষ কাজ করছে না দেশের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন, স্বীকার করে নিল চিন]

শুধু তাই নয়, যে সাতটি কোম্পানি দেশে রেমডেসিভিরের ইঞ্জেকশন তৈরি করে, তাঁদের স্টক বাড়াতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের কাছে কত স্টক আছে, তা ওয়েবসাইটে দেখাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতের কোম্পানিগুলো একসঙ্গে প্রতিমাসে ৩৮.৮০ লক্ষ রেমডেসিভির ইঞ্জেকশন তৈরিতে সক্ষম। তবে এখানেই শেষ নয়, রেমডিসিভির ইঞ্জেকশনের কালোবাজারি ঠেকাতে ড্রাগস ইন্সপেক্টর এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অন্যান্য আধিকারিকদেরও নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রত্যেকটি রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিবরাও নজর রাখবেন।তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন ড্রাগস ইন্সপেক্টররা।

[আরও পড়ুন: ৬ বছরের নাতনিকে ধর্ষণ! মুখ বন্ধ রাখতে ২০ টাকা হাতে ধরাল অভিযুক্ত দাদু]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.