৩২ শ্রাবণ  ১৪২৬  রবিবার ১৮ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামের সব পোস্টে এবার চলবে নজরদারি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও আড়ি পাততে চলেছে কেন্দ্র। ৭৯ ধারার তথ্য প্যুক্তি আইন সংশোধন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন আগে দেশের সব কম্পিউটারে কেন্দ্রের ১০ গোয়েন্দা সংস্থার আড়ি পাতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এবার বেআইনি গতিবিধি নজর রাখতে সোশ্যাল মিডিয়ার উপরেও নজর রাখতে পারে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তে ফের সাধারণ মানুষের গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

[কোষাগারে টান! শিবাজি মূর্তি নির্মাণে বরাদ্দের পরিমাণ কমাল মহারাষ্ট্র সরকার]

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের সংশোধিত প্রস্তাবে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একটি স্বয়ংক্রিয় মেশিন ইনস্টল করবে সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেআইনি তথ্য বা প্রতিবেদনগুলো প্রতিরোধে নিজের মতো করেই কাজ করবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রত্যেক মেসেজ, ছবি, ভিডিও বা ভাইরাল পোস্টে নজরদারি চালাবে কেন্দ্র। যদি কোনও পোস্ট বা মেসেজে বেআইনি শব্দ বা দেশদ্রোহিতা সংক্রান্ত শব্দ থাকে, তা সঙ্গে সঙ্গে বাতিল হয়ে যাবে। লোকসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রের এই সংশোধনী প্রস্তাবে চাপে পড়ল বিরোধীরাই। সোশ্যাল মিডিয়াকেও এর আওতায় আনলে গোপনীয়তা বলে কিছুই থাকবে না। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি যে তার ফায়দা নেবে না তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই।

[রথযাত্রা মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেল বিজেপি]

এই সংশোধিত আইনে সোশ্যাল মিডিয়ার গ্রাহকদের কাছে প্রত্যেক মাসে সতর্কবার্তা দেওয়া হবে। যাতে কোনও সন্দেহজনক গতিবিধির সঙ্গে জড়িত না থাকে সাধারণ মানুষ। হোয়াটসঅ্যাপে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন আছে। যা হোয়াটসঅ্যাপে গ্রাহকদের নিরাপত্তায় সাহায্য করে। তথ্যপ্রযুক্তি আইনে সংশোধিত প্রস্তাব পাশ হলে এই এনক্রিপশন পদ্ধতি উঠিয়ে দিতে হবে। নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের মানুষের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রত্যেক মেসেজের সব তথ্যে নজরদারি চালাবে কেন্দ্র। ১০ গোয়েন্দা সংস্থাকে মাত্র কয়েকদিন আগে আড়ি পাতার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি চালানোর আইন আনলে বিরোধীদের চাপ দেওয়া সহজ হবে মোদি সরকারের।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং