Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপজ্জনক পোস্ট শেয়ার না করার ডাক কেন্দ্রের

এভাবেই সৈনিক হয়ে উঠতে পারেন সাধারণ মানুষও, মত মন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০১৭, ১৫:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০১৭, ১৫:৫৪

options
link
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপজ্জনক পোস্ট শেয়ার না করার ডাক কেন্দ্রের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সৈনিকরা যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ বাজি রাখেন। দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ দেশের জন্য কী করতে পারেন? তাঁরাও কি সৈনিক হয়ে উঠতে পারেন? যদি পারেন তো কীভাবে? সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের বিপজ্জনক পোস্ট শেয়ার না করার ডাক দিয়ে সৈনিক হয়ে ওঠার প্রস্তাব দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজ্যবর্ধন রাঠোর।

[ পরীক্ষায় বসতে অন্তর্বাস খুলতে হল কিশোরীকে! ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের এই রাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যদি কেউ সৈনিক হতে চান তবে সীমান্তে পোশাক পরে না দাঁড়িয়েও তিনি তা হতে পারেন। কেননা এখন শত্রু নিজেই চলে আসছে প্রত্যেকের ঘরে ঘরে। অবশ্য তা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই। হিংসা ছড়াতে সোশ্যাল মিডিয়ার মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে শত্রুপক্ষ। এ এক নতুন অস্ত্র। আইন করেও এ রোখা প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছে না। কেননা সাধারণ মানুষের মগজ ধোলাই করতে সোশ্যাল মিডিয়ার অত্যন্ত সাধারণ পরিষেবাগুলোকেই হাতিয়ার করেছে শত্রুরা। ফলত প্রশাসনের অগোচরেই ছড়াচ্ছে হিংসা ও বিদ্বেষ। প্রশাসন নানাভাবে তা আটকানোর  চেষ্টা করেও সফল হতে পারছে না। আর তাই এক্ষেত্রে সৈনিকের ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসারই ডাক দিলেন তিনি। তিনি বললেন, সাধারণ মানুষই বিশেষত নেটিজেনরা যেন আরও সচেতন হয়ে ওঠেন। নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন যাতে কোনও প্ররোচনামূলক বিপজ্জনক পোস্ট ছড়িয়ে না পড়ে।

ঘাড় ঘুরছে ১৮০ ডিগ্রি, ‘রাবার বয়’কে দেখে বিস্মিত দেশবাসী ]

প্রসঙ্গত কাশ্মীরের সাম্প্রতিক অস্থিরতার পিছনেও আছে এই সোশ্যাল মিডিয়া। জানা গিয়েছিল, প্রায় ২৫০ হোয়্যাটস অ্যাপ গ্রুপ ছিল, যেখানে প্ররোচনা দেওয়া হত কাশ্মীরি যুবকদের। উৎসাহিত করা হত সেনাদের দিকে পাথর ছোড়ায়। এমনকী কোথাও জমায়েতের প্রয়োজন পড়লে এই গ্রুপ মারফতই লোক জোগাড় করা হত। পরে পুলিশ সেই গ্রুপগুলিকে বন্ধ করে। কিন্তু সোশ্যল মিডিয়ার এই জনপ্রিয়তা যে বিভিন্ন শত্রুশিবির কাজে লাগাচ্ছে, তা দেশের গোয়েন্দারা জানেন। আর তাই মন্ত্রীর এই সচেতনতার বার্তা। কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন, দেশের উন্নতির ভার শুধু প্রশাসনের হাতে ন্যস্ত নেই। বরং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত চেষ্টায় ও অংশগ্রহণে তা সম্ভব হবে। অনেকটা সেই ধাঁচেই এবার সাইবার ক্রাইম রোখার ডাক দিলেন এই রাজ্যবর্ধন রাঠোর।

আধার কার্ডে নামের বানান ভুল? নিজেই শুধরে নিন এই পদ্ধতিতে ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.