Advertisement
Advertisement
গ্রেটা থুনবার্গ

NEET-JEE ইস্যুতে ভারতীয় পড়ুয়াদের পাশে পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ

টুইটারে তাদের আবেদনে সমর্থন জানাল সুইডিশ কিশোরী।

Greta Thunberg supports the student appealing to postpond NEET, JEE
Published by: Sucheta Sengupta
  • Posted:August 25, 2020 6:05 pm
  • Updated:August 25, 2020 6:11 pm

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিক্ষার্থীদের কোনও গণ্ডি নেই, সীমানাও নেই। তাই ভারতীয় পড়ুয়াদের সমস্যা নিমেষের মধ্যে ছুঁয়ে ফেলে সুদূর সুইডিশ পড়ুয়াকেও। করোনা আবহে NEET, JEE পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনে বারবার সোচ্চার হওয়া এ দেশের পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে জনপ্রিয় কিশোরী পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ (Greta Thunberg)। টুইট করে সে ভারতীয় পড়ুয়াদের এই সমস্যায় তাঁদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছে। গ্রেটার মতে, এভাবে পরীক্ষা হলে পরীক্ষার্থীদের অসুবিধা হবে।

শিক্ষার পরিকাঠামো, পদ্ধতি, শিক্ষার ধরন – ভারত আর সুইডেনের মধ্যে কোনও কিছুরই মিল নেই। তবু পড়ুয়াদের সমস্যা মানে সমস্যাই। সে ভারতই হোক কিংবা সুইডেন। তাই করোনা পরিস্থিতিতে এত আবেদন সত্ত্বেও সর্বভারতীয় ডাক্তারি ও ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষা পিছতে কেন্দ্র রাজি না হওয়ায় যে সমস্যার মুখে পড়েছে পরীক্ষার্থীরা, তা বুঝতে পেরেছে সুইডিশ কিশোরী পড়ুয়া তথা আন্তর্জাতিক স্তরে খ্যাতনামা পরিবেশ কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। টুইট করে ভারতীয় পড়ুয়াদের এই সমস্যায় পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। টুইটে গ্রেটা লিখেছে, ভারতের পড়ুয়ারা কোভিড পরিস্থিতিতে সর্বভারতীয় পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি তুলছে আর তাঁদের আবেদনে সাড়া মিলছে না, এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। কোভিড আর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে তারা সমস্যার মুখে পড়েছে।

[আরও পড়ুন: করোনা আবহে NEET ও JEE পিছিয়ে দেওয়ার দাবিতে কেন্দ্রকে ফের চিঠি মমতার]

পরিবেশ নিয়ে খুব কম বয়স থেকে সচেতনতা। আর সেই কারণে একবারে ময়দানে নেমে পরিবেশ রক্ষায় নানা কাজ করে অল্প সময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক স্তরে খ্যাতি অর্জন করেছে গ্রেটা। স্কুলে না গিয়ে পরিবেশ রক্ষার বার্তা লেখা পোস্টার হাতে বন্ধুদের নিয়ে স্কুলের বাইরে মৌন প্রতিবাদ দেখানো মেয়ের বয়স তখন মাত্র ১৬বছর। আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলনে বক্তা হিসেবে গ্রেটা আমন্ত্রিতও হয়েছে। এত কম বয়সে সচেতনতা প্রচারে এতটা সাড়া ফেলে কারও প্রিয়, তো কারও চক্ষুশূল হয়ে উঠেছে সুইডিশ কিশোরী গ্রেটা থুনবার্গ। তার ঝুলিতে পুরস্কারও কম আসেনি।

[আরও পড়ুন: করোনার মারে ক্ষতির সম্মুখীন ইনসিওরেন্স কোম্পানিগুলি, বাড়তে চলেছে স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম]

কাজ করতে গিয়ে স্কুলে নিয়মিত যেতে পারেন গ্রেটা। নষ্ট হয়েছে শিক্ষাবর্ষ। এবার করোনা আতঙ্কে কাটিয়ে সুইডেনে স্কুল খুলতেই ফের পরিবেশ কর্মী থেকে পড়ুয়ার ভূমিকায় ফিরছে গ্রেটা। টুইটারে সে নিজেই এই সুসংবাদ জানিয়ে বলেছে, স্কুলে সে আবার ফিরছে।

আর পড়াশোনা করতে গিয়েই বোধহয় কিশোরী টের পেয়েছে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের দেশ ভারতের পড়ুয়াদের সমস্যার কথা। তাই দূরত্ব পেরিয়ে ভারচুয়াল দুনিয়ায় তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে সুইডিশ কিশোরী গ্রেটা থুনবার্গ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ