Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
গণধর্ষণ

গণধর্ষণে বাধা দেওয়ায় কাটা হল কিশোরীর চুল, অভিযোগ নিতে টালবাহানা পুলিশের!

অভিযুক্তদের মধ্যে দু'জন মেয়েটির দাদার বন্ধু বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৯, ১৫:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৯, ১৫:৩৮

options
link
গণধর্ষণে বাধা দেওয়ায় কাটা হল কিশোরীর চুল, অভিযোগ নিতে টালবাহানা পুলিশের! zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গণধর্ষণে বাধা দেওয়ায় এক কিশোরীর চুল কেটে নিল দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার অভিযোগ নিতে পুলিশ টালবাহানা করে বলেও অভিযোগ উঠছে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিল্লির সাগরপুর এলাকায়।

[আরও পড়ুন- ফের গোরক্ষকদের তাণ্ডব, মধ্যপ্রদেশে ২৫ জনকে গরু পাচারকারী সন্দেহে বেঁধে মার]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে ১৭ বছরের ওই কিশোরীকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল তার দাদার দুই বন্ধু। তারপর দুটি আলাদা জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এই কু-কর্মে তাদের সঙ্গে ছিল আরও তিন যুবক। ধর্ষণের সময় কিশোরীটি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বেধড়ক মারধর করে তার চুলও কেটে নেয় অভিযুক্তরা। পরে ঘটনাটির কথা জানতে পেরে স্থানীয় সাগর থানায় অভিযোগ জানাতে যান ওই কিশোরীর অভিভাবকরা। কিন্ত, পুলিশ অভিযোগ না দায়ের করে ঘটনাটি কোনও থানা এলাকায় ঘটেছে তা নিয়ে আলোচনা শুরু করে।

Advertisement

পরিস্থিতি দেখে পুলিশের শীর্ষকর্তাদের দ্বারস্থ হয় মেয়েটির পরিবার। চারিদিক বিশ্লেষণ করে সাগর থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ জানানোর নির্দেশ দেন তাঁরা। এরপর নড়েচড়ে বসেন ওই থানার পুলিশ আধিকারিকরা। স্থানীয় ডিডিইউ হাসপাতালে মেয়েটির শারীরিক পরীক্ষা করানোর পাশাপাশি ঘটনাটির তদন্তও শুরু করা হয়। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় জড়িত থাকা পাঁচ অভিযুক্তের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের জেরা করার পাশাপাশি বাকি দু’জনের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

[আরও পড়ুন- বিশ্বকাপের পরই বিজেপিতে যোগ ধোনির? জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে]

সম্প্রতি দিল্লির একটি স্কুলের মধ্যে এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছিল দিল্লির জাসোলা এলাকায়। নির্যাতিতার অভিযোগ, অতিরিক্ত ক্লাস নিতে বলেছিলেন অভিযুক্ত। কিন্তু, তিনি রাজি হননি। এর জেরে একদিন অফিস রুমে ডেকে পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে দেয় সে। তারপর অচৈতন্য অবস্থায় ধর্ষণ করে। এমনকী ধর্ষণের ভিডিও তুলে রেখে বিষয়টি কাউকে না জানানোর হুমকিও দেয়। গত বৃহস্পতিবার ওই শিক্ষিকা থানায় অভিযোগ দায়ের করার গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.