৩০ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সকালে চমক দিয়েছিলেন কর্পোরেট করে ব্যাপক ছাড় দিয়ে। বিকেলে চমক দিলেন জিএসটিতে বড়সড় রদবদল করে। গোয়ায় জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক থেকে অর্থমন্ত্রীর একাধিক ঘোষণা স্বস্তি দেবে গ্রাহকদের। বিশেষ করে উচ্চবিত্ত, এবং উচ্চ-মধ্যবিত্তদের। স্বস্তি পাবেন ব্যবসা বা চাকরি সূত্রে যাদের নিয়মিত বাড়ির বাইরে থাকতে হয় তাঁরাও। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এদিন একাধিক পণ্যে জিএসটি কমানোর কথা ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে, অর্থমনীতিতে সাম্য বজায় রাখতে জিএসটি বাড়ানো হয়েছে কয়েকটি পণ্যে।

[আরও পড়ুন:‘মোদি দেশের প্রধানমন্ত্রী, ওঁকে সম্মান করা উচিত’, রাহুলের উলটো সুর থারুরের]

একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোথায় কোথায় কমছে জিএসটি:
১. হাজার টাকা পর্যন্ত হোটেলের ঘরে লাগবে না জিএসটি। হাজার থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকার ঘরে জিএসটি ১৮% থেকে কমে ১২%। সাড়ে সাত হাজার টাকার বেশি ঘরে জিএসটি ১৮%।
২. আউটডোর কেটারিংয়ে জিএসটি কমে ৫%।
৩. সর্বোচ্চ ন’জন যাত্রী নিতে সক্ষম ১৫০০ সিসি ডিজেল গাড়িতে সেস কমে ৩% এবং ১২০০ সিসি পেট্রোল গাড়িতে সেস কমে ১%।
৪. কাটা ও পালিশ করা মাঝারি দামের পাথরে জিএসটি ৩% থেকে কমে ০.২৫%।
৫. সামুদ্রিক জলযানের জ্বালানিতে জিএসটি কমে ৫%।
৬. পলিথিন ব্যাগের উপর জিএসটি ১২%।
৭. হিরে শিল্পের মজুরিতে জিএসটি কমে ১.৫%।

[আরও পড়ুন: কমল কর্পোরেট করের হার, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর ঘোষণায় চাঙ্গা শেয়ার বাজার]

তবে জিএসটি শুধু কমানো হয়েছে তা নয়, অর্থনীতির ভারসাম্য বজায় রাখতে কিছু পণ্যে কর বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় আছে ক্যাফিনযুক্ত পানীয়। ক্যাফিনযুক্ত পানীয়তে জিএসটি বেড়ে হয়েছে ২৮ শতাংশ। সেই সঙ্গে সেস বেড়ে হয়েছে ১২ শতাংশ। কিছু কিছু পণ্যকে একেবারেই কর থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যেমন শুকনো তেঁতুল, বাংলার শস্য বিমা, দেশের বাইরে থেকে আমদানি করা কিছু প্রতিরক্ষা সামগ্রী, অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপের জন্য ফিফাকে সরবরাহ করা পণ্য, এবং কিছু এজেন্সি দ্বারা আমদানি করা রুপো ও প্ল্যাটিনামের গয়না। বেশ কিছু পণ্যে স্বস্তি দিলেও গাড়ি শিল্পের জন্য তেমন স্বস্তির খবর শোনাতে পারেননি অর্থমন্ত্রী। মাত্র এক ধরনের গাড়িতে খানিকটা সেস কমানো ছাড়া ধুঁকতে থাকা গাড়ি শিল্পের জন্য কোনও স্বস্তির আশ্বাস নেই। বিস্কুট শিল্পের ক্ষেত্রেও তেমন কোনও স্বস্তির খবর নেই। আপাতত সরকার জিএসটির মাধ্যমে কর আদায় বৃদ্ধির কথা ভাবছে। পরবর্তীকালে পেট্রোপণ্যকে এর আওতায় আনা নিয়ে আলোচনা হবে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং